Fake Voter Allegations: ধোপে টিকল না মমতার দাবি, তৃণমূলের 'ভুতুড়ে ভোটার' অভিযানে জল ঢেলে বড় ঘোষণা কমিশনের
Fake Voter Allegations: দুই রাজ্যের ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর এক হলেই ফেক ভোটার প্রমাণিত হয় না। রবিবার স্পষ্টতই জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগের বছর ভোটার তালিকায় বিজেপির কারচুপির অভিযোগ তুলে ভুতুড়ে ভোটার খুঁজতে যখন উদ্যত তৃণমূল, ঠিক তখনই নির্বাচন কমিশন পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিল এ কথা।
নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের মেগা সমাবেশ থেকে বাংলার ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নথিসমেত উদাহরণ দেখিয়ে মমতা বলেছিলেন, রাজ্যের ভোটারের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে পঞ্জাব হরিয়ানার ভোটারের নামও।

রাজ্যের ভোটার তালিকায় একই এপিক নম্বরে পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, বিহারের লোকেদের নাম তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল। আর তাই, ভুতুড়ে ভোটার খুঁজতে উঠেপড়ে লেগেছে তৃণমূল। এমতাবস্থায় রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, দুটি ভিন্ন রাজ্যের ভোটারদের একই এপিক নম্বর থাকা মানে তারা ভুয়ো ভোটার নন।
কমিশন ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, এপিক নম্বর এক হলেও এক হতে পারে। কিন্তু বিধানসভা কেন্দ্র, ভোট গ্রহণের বুথ অন্যান্য হতে বাধ্য। সোশ্যাল মিডিয়া-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে এসংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর দাবি নস্যাৎ করে এদিন সঠিক তথ্য জানাল কমিশন।
কমিশনের দাবি, এপিক নম্বর যাই হোক না কেন, যেকোনও ভোটদাতা তার নিজ বিধানসভা বা লোকসভা এলাকার সংশ্লিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন। এব্যাপারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন যুক্তিও খাঁড়া করেছে।
তাদের দাবি, পূর্বে স্থানীয়ভাবে হাতে হাতে ভোটার কার্ড তৈরি ও বিলি করা হত। তাই কিছু ক্ষেত্রে এপিক নম্বর এক হলেও হয়ে থাকতে পারে। তবে যেখানের ভোটার তালিকায় যার নাম রয়েছে, সে সেখানেই কেবলমাত্র ভোট দিতে পারে।
কমিশনের দাবি, ইলেকটোরাল রোল ডেটাবেস বা ইরোনেট প্ল্যাটফর্ম আসার আগে কেন্দ্রীভূত ছিল না গোটা ব্যবস্থা। যার জেরেই আলফা নিউমেরিক নম্বর একই হয়ে গিয়ে থাকতে পারে। তবে যেকোনও প্রকার অভিযোগ যাতে না ওঠে, তার জন্য আলাদা আলাদা এপিক নম্বর বিলি করার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে কমিশন। ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সামনে এলেই তা নতুন এপিক নম্বর দিয়ে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে বলে জানায় কমিশন। এর জন্য ইরোনেট ২.০ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন।
প্রসঙ্গত, নেতাজি ইন্ডোরে মমতা বলেন, "ভোটার লিস্ট ক্লিন করতে হবে। দিল্লিতে বসে এজেন্সিকে দিয়ে বিএলআরও-দের সঙ্গে নিয়ে অনলাইনে কারসাজি করা হয়েছে। বাংলায় লোক যাতে ভোট দিতে না পারে, একই এপিক কার্ডে বাইরের লোকের নাম তুলেছে।" কারচুপি ধরতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি গড়ে মমতা বলেন, "ওই কমিটি ভোটার তালিকা নিয়ে কাজ করবে। তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।"












Click it and Unblock the Notifications