সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচনী বন্ডের তহবিল বাজেয়াপ্ত করতে আবেদন! চাপে পড়বে কি BJP-TMC-র মতো দলগুলি
সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পটি বাতিল করেছিল। এবার নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যে অর্থ সংগ্রহ করেছে তা বাজেয়াপ্ত করতে আবেদন সুপ্রিম কোর্টে। আবেদনকারী খেম সিং ভাটি। তিনি সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা আবেদনে বলেছেন, সংবিধানের ১৪ ও ১৯ অনুচ্্ছেদের লঙ্ঘন হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট ১৫ ফেব্রুয়ারি ওই প্রকল্প বাতিলের কথা ঘোষণা করেছিল।
আবেদনকারী খেম সিং ভাটি তাঁর করা আবেদনে বলেছেন, নির্বাচনী বন্ডে টাকা প্রাপ্তির পরে সরকার দাতাদের অবৈধ সুবিধা পাইয়ে দিয়েছে। সেই ঘটনার তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিকে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হোক।

প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পটিকে অসাংবিধানিক বলে রায় দেয় এবং তা বাতিল করে দেয়। পাশাপাশি তারা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে ১২ এপ্রিল, ২০১৯ থেকে কেনা বন্ডের বিশদ তথ্য প্রকাশেরও নির্দেশ দেয়। তারপরেই দেশের বিভিন্ন সংস্থার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্বাচনী বন্ডে কত টাকা দিয়েছেন, সেই বিষয়টি সামনে আসে।
এদিকে লোকসভা নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে গত এপ্রিলে ভোপালে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এবং আরটিআই কর্মী অঞ্জলি ভরদ্বাজ বলেছিলেন, বাতিল হওয়া নির্বাচনী বন্ড স্কিমে জবাবদিহি নির্ধারণ করা দরকার। কারণ এটি বিশ্বের সব থেকে বড় কেলেঙ্কারি হয়ে উঠেছে।
আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ করেছিলেন, বিভিন্ন কোম্পানি নির্বাচনী বন্ডে যে টাকা দিয়েছে তা ঘুষ। ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিকদলগুলি এর সুবিধা নিয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ ছিল নির্বাচনী বন্ডে টাকা পাওয়ার পরে সরকারি নীতিগুলি সেইসব সংস্থার পক্ষে পরিবর্তন করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ঃএর জানুয়ারির মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলি ১৬,৫১৮.১১ কোটি টাকা পেয়েছে। এর প্রায় ৫৫ শতাংশ অর্থাৎ ৬৫৬৫ কোটি টাকা পেয়েছে বিজেপি। তারপরে কংগ্রেস পেয়েছে ১১২৩ কোটি টাকা। তৃণমূল পেয়েছে ১০৯২ কোটি টাকা। তারপর বিজেডি, ডিএমকে এবং বিআরএস যথাক্রমে পেয়েছে ৭৭৫, ৬১৭ এবং ৩৮৪ কোটি টাকা।












Click it and Unblock the Notifications