অটো চালক থেকে মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে, পাশে পেলেন ফড়ণবীশকেও
অটো চালক থেকে মুখ্যমন্ত্রী'র চেয়ারে শিন্ডে, শেষমেশ পাশে পেলেন ফড়ণবীশকেও
মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। মহারাষ্ট্রের দু'বারের মুখ্যমন্ত্রী এবার ডেপুটি। আর এই শপথ অনুষ্ঠানের পরেই মহারাষ্ট্রে শুরু হয়ে গেল শিন্ডে রাজ! ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং উপ মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশকে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, শিন্ডের সামনে একগুচ্ছ চ্যালেঞ্জ। কারণ আগামী অনেকটা দিন চলতে হবে তাঁকে!

শপথ বাক্য পাঠ করান
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রাজভবনে শপথ অনুষ্ঠান আগেই জানান ফড়ণবীশ। সেই মতো নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজভবনে পৌঁছে যান শিন্ডে এবং ফড়ণবীশ। এরপর সঠিক সময়ে শুরু হয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজ্যপাল Bhagat Singh Koshyari একনাথ শিন্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী পদে এবং দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদের জন্যে শপথ বাক্য পাঠ করান। তবে এদিন দুজনে শপথ নিলেও খুব শিঘ্রই মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরাও শপথ নেবে বলে খবর।

২১ জন বিধায়ক মন্ত্রিসভাতে থাকতে পারেন
জানা যাচ্ছে, বিজেপি থেকে ২১ জন বিধায়ক মন্ত্রিসভাতে থাকতে পারেন। এমনকি শিন্ডে শিবির থেকেও বেশ কয়েকজনকে মন্ত্রীসভাতে নিয়ে আসা হবে বলেই খবর। ঠিক কতজন মন্ত্রী হবেন শিন্ডে'র সভায় তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তা আলোচনার মাধ্যমেই স্থির হবে বলে আগেই জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বলে রাখা প্রয়োজন, এদিন মুখ্যমন্ত্রী পদে শিন্ডে শপথ নিতেই আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন গোয়াতে হোটেল বন্দি থাকা বাকি বিদ্রোহী বিধায়করা।

গত কয়েকদিনে একের পর এক নাটক
গত ২৪ তারিখ হঠাত করেই বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন শিন্ডে! বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে সুরাত পৌঁছে যান। এবং ঠাকরের উপর চাপ বাড়াতে শুরু করে। এরপর একের পর এক বিধায়ক শিন্ডের শিবিরে যোগ দেন। পাল্লা ভারি হতে থাকে শিন্ডে শিবিরে। আর এরমধ্যেই বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে অসমে পৌঁছে যান। যা নিয়ে শুরু হয় নানা বিতর্ক। সরকার ভাঙা খেলায় বিজেপি নেমেছে বলেও সুর চড়তে থাকে। ঠাকরে শিবির থেকেও শিন্ডেকে বোঝানো শুরু হয়। কিন্তু ভাঙন অব্যাহত থাকে। শেষমেশ বুধবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন উদ্ভব ঠাকরে।

অটো চালক থেকে মুখ্যমন্ত্রী
একটা লম্বা সময়! বালা সাহেবের একডাকেই সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়া। থানেকে নিজের শক্তঘাঁটি হিসাবে বেছে নেন শিণ্ডে। খুব অল্প সময়ে তাঁর কাজ নজর কাড়ে সেনার শীর্ষ নেতৃত্বের। খুব অল্প সময়েই প্রভাবশালী শিবসেনা নেতা আনন্দ দীঘের 'ডানহাত' হয়ে ওঠেন তিনি। শিন্ডে ভোট-রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন ১৯৯৭ সালে। প্রথমে পুরসভা নির্বাচন এরপর মহারাষ্ট্র বিধানসভাতে জয়। এরপর একেবারে পাকাপাকিভাবে সক্রিয় রাজনীতি নিজের জায়গা পাকা করে ফেলা। ঠাকরের ঘরের লোক হয়ে উঠেছিলেন শিন্ডে। আর তাই তাঁর বিশ্বাসঘাতকতা কিছুই যেন মেনে পারছে না ঠাকরে পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications