ছৌ নাচ থেকে ফ্যাশন শো, এইচএসআর-এ 'ইশা'র উদ্যোগ জমিয়ে দিয়েছে দুর্গাপুজো
বয়স মাত্র তিন। তবে উৎসাহে বেঙ্গালুরুর বড় পুজোগুলির চেয়ে কোনও অংশে কম যায় না 'ইশা' (ইস্ট ইন্ডিয়ান সোশ্যাল এইচএসআর অ্যাসোসিয়েশন)-র পুজো।
বয়স মাত্র তিন। তবে উৎসাহে বেঙ্গালুরুর বড় পুজোগুলির চেয়ে কোনও অংশে কম যায় না 'ইশা' (ইস্ট ইন্ডিয়ান সোশ্যাল এইচএসআর অ্যাসোসিয়েশন)-র পুজো। বরং আন্তরিকতায় অন্যদের সঙ্গে সমান তালে পাল্লা দিতে তৈরি আয়োজকরা। দক্ষিণের এই শহরে অন্য পুজোগুলি যেভাবে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে, ইশা-র পথ চলাও শুরু সেভাবেই। বাবুন ঘোষ, সুদীপ রায়রা বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবকে আরও আপন করে নিতে নিজেরাই পুজোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।

তবে অন্য পুজোর চেয়ে এখানকার পুজো আলাদা, তা এইচএসআর লে আউটে এলেই চোখে পড়বে। সিদ্ধার্থ কনভেনশন সেন্টারে ১৪ থেকে ১৯ অক্টোবর এলাকার বাঙালির একজোট হয়ে এক সুরে এক তালে মিলেমিশে দেবীর আরাধনায় ব্রতী হবেন।
শুরুতে চেনা লোকজনকে নিয়ে শুরু হয়ে এই উদ্যোগ তিন বছরেই বহরে অনেকটা বাড়ছে। ইতিমধ্যে সদস্য সংখ্যা দেড়শো ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাঙালি ছাড়া দক্ষিণ ভারতীয়রা তো রয়েইছেন, পাশাপাশি ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহারের মানুষও এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ফলে একদিকে যেমন দুর্গাপুজোর আনন্দ রয়েছে, তেমনই নবরাত্রিও সাড়ম্বরে পালিত হয় এখানে।
শুধু যে পুজোর আনন্দ তা নয়। সঙ্গে থাকে পেটপুজো ও সন্ধ্যাবেলায় এক একদিন হাজারো চমক। তার মধ্যে অন্যতম অবশ্যই ছৌ নাচ। বাংলার গ্রামগঞ্জ থেকে ছৌ শিল্পীরা এসে এখানে ছৌ নাচের নানা কৌশল দেখান।
সভাপতি সুদীপ রায়ের কথায়, এটাই আমাদের পুজোর মূল আকর্ষণ। এই ছৌ নাচ দেখতেই দারুণ ভিড় হয়। বয়স্কদের কাছে এই অনুষ্ঠান দারুণ আকর্ষণের। পাশাপাশি মুখোশ পড়া ছৌ শিল্পীদের দেখে কচিকাঁচারাও উৎসাহী হয়ে পড়ে।
এবছর একেবারে চতুর্থী থেকেই ইশার পুজো শুরু হচ্ছে যাচ্ছে। সেদিন পারফর্ম করবেন গায়ক অর্ক। তার পরের দিন রয়েছে ছৌ নাচের আয়োজন, সঙ্গে বলিউডি গায়ের আসর। সপ্তমীর দিন বাংলা আধুনিক গান ও ফিউশন রক ব্যান্ডের অনুষ্ঠান রয়েছে। অষ্টমীতে রয়েছে ফ্যাশন শো ও ভরতনাট্যমের আসর। এছাড়া ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত প্রতিদিন রয়েছে ডান্ডিয়া নাচ।












Click it and Unblock the Notifications