Indian Cough Syrup: ভারতে তৈরি কাশির সিরাপ খেয়ে ১৮ শিশুর মৃত্যু! উজবেকিস্তানকে তদন্তে সহায়তা করবে WHO
ভারতে তৈরি কাশির সিরাপ খেয়ে ফের বিদেশের মাটিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ। এবার উজবেকিস্তানের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে সেখানকার ১৮টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে ভারতের ওষুধ কোম্পানির তৈরি ওষুধ খেয়ে। মাস দুয়েক আগে গাম্বিয়াতেও ভারতীয় ওষ
ভারতে তৈরি কাশির সিরাপ খেয়ে ফের বিদেশের মাটিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ। এবার উজবেকিস্তানের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে সেখানকার ১৮টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে ভারতের ওষুধ কোম্পানির তৈরি ওষুধ খেয়ে। মাস দুয়েক আগে গাম্বিয়াতেও ভারতীয় ওষুধ কোম্পানির কাশির সিরাপ খেয়ে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল।

প্রসঙ্গতস যে কোম্পানির ওষুধ খেয়ে মৃত্যু সেই মেরিয়ান বায়োটেক লিমিটেড ২০১২ সাল থেকে উজবেকিস্তানে নথিভুক্ত। উজবেকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরপে বলা হয়েছে যে শিশুগুলির মৃত্যু হয়েছে, তারা নয়ডা ভিত্তিক মেরিয়ান বায়োটেকের ডক-১ ম্যাক্স সিরাপ খেয়েছিল। এই সিরাপ খাওয়ার পরে তীব্র শ্বাসকষ্টে ২১ জনের মধ্যে ১৮ টি শিশুর মৃত্যুর কথা জানিয়েছে সেদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে ওই ওষুধটি ২-৭ দিন, দিনে তিন থেকে চারবার ২.৫-৫ মিলি খাওয়ানো হয়েছিল শিশুদের।
যেহেতু ওষুধটির প্রধান উদাপান প্যারাসিটামল, তাই ডক-১ ম্যাক্স সিরাপ অভিভাবকরা ভুলভাবে নিজেরা কিংবা ওষুধের দোকানের পরামর্শে ঠাণ্ডা প্রতিরোধী হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। আর সেটাই শিশুদের স্বাস্থ্যের অবনতির কারণ হয়েছে।
তবে প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ডক-১ ম্যাক্স সিরাপের এই সিরিজে ইথিলিন গ্লাইকল থাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। ইথিলিন গ্লাইকল বিষাক্ত হওয়ার তা বমি, খিচুনি, হৃদযন্ত্রের সমস্যা এবং কিডনির সমস্যা তৈরি করেছিল।
উজবেকিস্তানের সাতজন কর্মীদের শিশু মৃত্যুর কারণে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও ডক-১ ম্যাক্সের ট্যাবলেট ও সিরাপ সেখানকার সব ওষুধের দোকান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে ওযুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এই ঘটনার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উজবেকিস্তান স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তদন্তে সহযোগিতা করার প্রস্তাব দিয়েছে।
মাস দুয়ের আগে গাম্বিয়ায় ভারতে তৈরি কাশির সিরাপ খাওয়ার পরে অন্তত ৬৬ টি শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তোলা হয়েছিল। যদিও পরবর্তী সময়ে গাম্বিয়ার সরকার সেখানকার শিশু মৃত্যুর সঙ্গে ভারতীয় কাশির সিরাপগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্রের কথা অস্বীকার করেছিল।
অন্যদিকে ভারতের সংসদে এব্যাপারে প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ওষুধগুলির মান ঠিক ছিল এবং সেগুলির মধ্যে ডাই ইথাইল গ্লাইকল কিংবা ইথিলিন গ্লাইকলের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে ডিসিডিআই-এর তরফে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় এই ডিসেম্বরেই।












Click it and Unblock the Notifications