সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকবে টাকা! ঝাড়খণ্ড ও বাংলায় ভোটের আগে ইডির বড় অভিযান
রাত পেরোলেই ঝাড়খণ্ডে উপনির্বাচন। আর মঙ্গলবার সকালেই ইডির হানা। আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে দুই রাজ্যে হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গে হানা দেওয়া হয়েছে।
ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের সাতটি করে জায়গায় হানা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশ বিতর্কও৷ কারণ, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকা কিছু লোক এই কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে৷ এমন কথাও জানা গিয়েছে।

কেবল ঝাড়খণ্ড নয়, আগামী কাল পশ্চিমবঙ্গেও উপনির্বাচন ছটি কেন্দ্রে। নির্বাচনের আগে দুই রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশ ও টাকা পাচারের আশঙ্কাও করা হচ্ছে। হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা এক হাত থেকে অন্য হাতে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। সেই সব রুখতেই ইডি দুই রাজ্যে হানা দিয়েছে বলে খবর৷ দুই রাজ্য মিলিয়ে ১৪ টিরও বেশি জায়গায় এই হানা হচ্ছে বলে খবর।
ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে এবার বিজেপির অন্যতম ইস্যু অনুপ্রবেশ। বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডে থাকছে। জনজাতি পরিবারের মেয়েদের বিয়ে করছে। সেই অভিযোগ তুলছে বিজেপি। গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত এই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রচারে। আর তারপর দিনই এই ইডির হানা।
ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনা, কোলহান এলাকার জনবসতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। সেখানে লক্ষ্যণীয় ভাবে বেড়ে গিয়েছে জনসংখ্যা। বহু মানুষ ওই সব জায়গায় বাস করছেন। অনুপ্রবেশের ফলে সেখানে এই জনঘনত্ব বাড়ছে। ঝাড়খণ্ডের সরকার এই বিষয়টিকে মান্যতা দিচ্ছে। এই অভিযোগও ভোটবাজারে উঠেছে।
ভোটের আগে যাতে টাকা না ছড়াতে পারে। বেনামি টাকা এহাত, ওহাত না ঘুরতে পারে৷ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশিদের মাধ্যমে টাকা যাতে আসতে না পারে। সেই সব আটকানোর জন্যই কি ইডির হানা? না হলে দুই রাজ্যের এত জায়গায় একযোগে ইডির অপারেশন কেন? সেই সব প্রশ্ন উঠছে।
আগামী কাল ঝাড়খণ্ডে প্রথম দফায় ভোট৷ সেজন্য প্রস্তুতিও তুঙ্গে। সীমান্তেও কড়া নজরদারি চলছে৷ আর তার মধ্যেই দুই রাজ্যের ইডির হানা।












Click it and Unblock the Notifications