সায়গল হোসেনকে মাসে ৫ কোটি টাকা কেন দিতেন? জেরার শুরুতেই একের পর এক চোখা প্রশ্নে বিদ্ধ অনুব্রত
অনুব্রত মণ্ডলকে জেরায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে
দিল্লিতে দ্বিতীয় দফায় জেরা শুরু করেছে অনুব্রত মণ্ডল। সূত্রের খবর অনুব্রত মণ্ডল প্রতিমাসে সায়গল হোসেনকে ৫ কোটি টাকা দিতেন। প্রোটেকশন মানি হিসেবে সেই টাকা দিতেন কেষ্ট। যাতে বিনা বাধায় বীরভূম থেকে গরু বাংলাদেশে যেতে পারে সেকারণেই এই প্রোটেকশন মানি দেওয়া হত। বীরভূম থেকে মালদহ এবং মুর্শিদাবাদ হয়ে গরু বাংলাদেশে পাচার হত।

সায়গল হোসেনকে ৫ কোটি টাকা দিতেন কেষ্ট
দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে ৫ কোটি টাকা দিতেন অনুব্রত মণ্ডল। প্রতিমাসে প্রোটেকশন মানি হিসেবে সেই টাকা দিতেন তিনি। যাতে বীরভূম থেকে নিরাপদে গরু বাংলাদেেশ পাচার হতে পারে তার জন্যই এই টাকা িদতেন অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূম থেকে মালদা-মুর্শিদাবাদ হয়ে গরু বাংলাদেশে পাচার হত। গরু পাচারের টাকা অন্য ব্যবসাতেও কাজে লাগানো হত বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

গরু পাচারের টাকা যেত বিদেশে
গরু পাচারের টাকা বিদেশে খাটত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকী এনামুল হকও ২ কোটি টাকা মাসে প্রোটেকশন মানি দিত বলে জানা গিয়েছে। গরু পাচারের টাকা দিয়ে বিেদশেও খাটানো হত বলে জানা গিয়েছে। সব গরু পাচারের টাকা দিয়ে বিদেশে ব্যবসা করতেন বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা এই সব তথ্যগুলি সংগ্রহ করে তবেই অনুব্রতকে জেরা করতে নামছে ইডি। দ্বিতীয় দফার জেরায় একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তদন্তকারীরা। এই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।

অনুব্রতকে জেরা
অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করতে চোখা চোখা প্রশ্ন তৈরি করেছে ইডি। তদন্তকারীরা একটি স্পেশাল টিম তৈরি করেছেন। সায়গল হোসেন এবং এনামূল হকের বয়ানকে সামনে রেখেই অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করা হয়েছে। ৬ সদস্যের বিশেষ টিমে একাধিক দুঁদে অফিসার রয়েছে। সাগয়ল হোসেনের বয়ান রেকর্ড করে রাখা হয়েছে। সেই বয়ান রেকর্ড সামনে রেখে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। দফায় দফায় তিনদিন কেষ্টকে জেরা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

কোন কোন প্রশ্ন করা হতে পারে
ইতিমধ্যেই কেষ্টকে জেরা করতে তৈরি করা হয়েছে চোখা চোখা প্রশ্নপত্র। কেষ্টর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে জেরা করে একের পর এক তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। মণীশ কোঠারির কাছ থেকে কেষ্টর টাকার লেনদেনের একাধিক তথ্য পাওয়া গিয়েছে। গরু পাচারের টাকা কোথায় কোন কোন খাতে ব্যবহার করা হত। কার অ্যাকাউন্টে সেই টাকা যেত তার সবটা রয়েছে মণীশ কোঠারির কাছে। সেই তথ্যর উপর ভিত্তি করে একাধিক প্রশ্ন তৈরি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications