বাংলার কাঠমিস্ত্রির পাকিস্তানি যোগ? টিনের চালে ইডির হানা, ঘটনা কী? শোরগোল বঙ্গে
ভুয়ো পাসপোর্ট মামলায় সক্রিয় কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সাত সকালে নদিয়া জেলার চাকদায় এক কাঠমিস্ত্রির বাড়িতে হানা দিল ইডি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কাঠমিস্ত্রির নাম বিপ্লব সরকার। জাল পাসপোর্ট তৈরির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ। বাড়ির সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং সঙ্গে সমস্ত নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একজন আধিকারিক বলেন, "অভিযুক্তের তৈরি অনেক পাসপোর্ট বিদেশেও পাঠানো হয়েছে ৷ আমরা তদন্ত শুরু করেছি৷ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হবে ৷"

সোমবার সকালে বিপ্লব সরকার ও তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে হাজির হয় ইডির দল। পরে দুই ভাই সহ আরও এক জনকে আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের নাম বিপ্লব সরকার , বিনন্দ সরকার এবং বিপুল সরকার। তাঁদের মধ্যে একজন রাজমিস্ত্রির কাজ করেনা আর বাকি দু'জন কাঠের কাজ করেন। বিগত কয়েকমাস ধরেই জাল পাসপোর্ট তৈরির চক্র খুঁজে বের করতে একের এক তদন্ত অভিযান চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।
ইডির সূত্রে খবর, মনে করা হচ্ছে ভারতের জেলে বন্দি পাকিস্তানি নাগরিকদের সাথে আটক করা ওই তিনজনের যোগাযোগ থাকতে পারে। আর যারা যারা এই ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরীর সঙ্গে যুক্ত আছেন তাদেরও খোঁজার জন্য তল্লাশি চলছে। অক্টোবর মাসেই নদিয়া জেলার চাকদা থেকে ইন্দুভূষণ হালদার নামে এক ব্যক্তিকে ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল ইডি। ইন্দুভূষণ হালদারের থেকে মূলত বিপ্লব সরকার , বিনন্দ সরকার এবং বিপুল সরকার সম্পর্কে জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। এই বছরের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখে এই ভুয়ো পাসপোর্টের মামলায় বিরাটি থেকে আজাদ মল্লিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। কিন্তু পরে জানা যায়, সেই ব্যক্তি তার নাম মিথ্যে বলেছিল। আসলে তার আসল নাম ছিল আহমেদ হোসেন! হাজার হাজার টাকার বিনিময়ে জাল পাসপোর্ট তৈরি করে দিতো এই আহমেদ হোসেন। এবং তাকে গ্রেফতার করেই ইন্দুভূষণের বিষয়ে জানতে পেরেছিল ইডি।












Click it and Unblock the Notifications