১,০৩৪ কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারিতে ইডি শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল
শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত বড়সড় সমস্যার সম্মুখিন হলেন। মানি লন্ডারিং বিরোধী আইনের অন্তর্গত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট রাউত ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল। অ্যাটাচ হওয়া সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে আলিবাগে ৯ কোটি টাকার ৮টি জমি ও মুম্বইয়ের দাদার শহরতলীতে ২ কোটি টাকা মূল্যের ফ্ল্যাট।

কেন্দ্রীয় আর্থিক এজেন্সি প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (পিএমএলএ) অধীনে একটি অস্থায়ী সংযুক্তি জারি করেছে জমির পার্সেল (প্লট) এবং ফ্ল্যাট ফ্রিজ করার জন্য। মুম্বইয়ের ১,০৩৪ কোটি মূল্যের পাত্র চউল জমি কেলেঙ্কারি মামলায় সঞ্জয় রাউতের এই সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। ইডির পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রাউত হিন্দিতে টুইট করে লিখেছেন, 'অসত্যের জয়’। ইঢির এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা নিয়ে পরে সঞ্জয় রাউত এক সংবাদ সংস্থাকে বলেন, 'আমি ভয় পাওয়ার পাত্র নই, আমার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, আমায় গুলি করুক বা জেলে পাঠাক, সঞ্জয় রাউত বালাসাহেব ঠাকরের অনুগামী ও শিব সৈনিক, সে লড়াই করতে ও সকলের মুখোশ খুলতে জানেন। আমি চুপ করে বসে থাকার পাত্র নই, ওদের নাচ করতে দিন। সত্য সামনে আসবে।’
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ইডি মহারাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রবীণ রাউতকে গ্রেফতার করে এবং পরে তার বিরুদ্ধে চার্জশিটও পেশ করে আদালতে। এছাড়াও ইডি এর আগে সঞ্জয় রাউতের স্ত্রী বর্ষা রাউতকে গত বছর পিএমসি ব্যাঙ্কের প্রতারণা কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত অন্য একটি অর্থ নয়ছয় কাণ্ডে এবং প্রবীণ রাউতের স্ত্রী মাধুরির সঙ্গে কথিত সম্পর্কের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করে। ইডি জানিয়েছে যে গুরু আশিস কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড শহরতলি মুম্বইয়ের গোরেগাঁও এলাকায় পাত্র চউল পুনঃউন্নয়নের সঙ্গে জড়িত ছিল। মহারাষ্ট্র হাউজিং এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ৪৭ একর জমিতে 'চউল’–এর ৬৭২ জন ভাড়াটিয়া ছিল। এখানে উল্লেখ্য, হাউজিং ডেভলপমেন্ট ইনফ্রাস্ট্র্যাকচার লিমিটেড (এইচআইএল)–এর সহায়ক সংস্থা গুরু আশিষ কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড।
প্রসঙ্গত, বিজেপির কড়া সমালোচক হিসাবেই পরিচিত শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। এর আগেও বহু ঘটনায় সঞ্জয় রাউত বিজেপির বিপক্ষে গিয়ে গলা চড়িয়েছেন। সম্প্রতি কাশ্মীর ফাইলস নিয়েও কেন্দ্র সরকারকে এক হাত নিয়েছেন রাউত।












Click it and Unblock the Notifications