Kejriwal Arrested: কেজরিওয়াল ইডির জালে, আবগারি দুর্নীতি কী? আর কারা গ্রেফতার হয়েছেন?

Kejriwal Arrested: লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড় ধাক্কা খেল আম আদমি পার্টি। দলের প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আজ ২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করল ইডি।

আবগারি দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন তেলঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কন্যা কে কবিতা। তারপরই গ্রেফতার কেজরি। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে পদত্যাগের পর গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর আরও এক মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার।

Kejriwal Arrested

আজ আদালত থেকে কেজরিওয়াল রক্ষাকবচ না পেতেই তাঁর বাসভবনে চলে যান ইডির অফিসাররা। ভাগ্যের লিখনটা তখনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আম আদমি পার্টির নেতা-কর্মীরা আশঙ্কা করতে থাকেন কেজরির গ্রেফতারির। সেই আশঙ্কাই সত্যিতে পরিণত হলো।

বিতর্কিত আবগারি নীতির অস্তিত্ব এখন আর নেই। যদিও এই আবগারি দুর্নীতি মামলায় এক-দু-বার নয়, ৯ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব এড়িয়েছিলেন কেজরি। আজও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। তিনি তাকিয়ে ছিলেন আদালতের দিকে। ইডি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই মামলায় কেজরিকে ষড়যন্ত্রকারী বলে উল্লেখ করেছিল।

দিল্লি লিকার পলিসি ২০২১-২২ নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। এই মামলায় প্রথম গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র যাদব। ২০২২ সালের মে মাসে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। এরপর গত বর ২৬ ফেব্রুয়ারি সিবিআইয়ের ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া।

আবগারি দুর্নীতিতে কেজরি, সিসোদিয়া ও ভারত রাষ্ট্র সমিতির বিধান পরিষদের সদস্য কে কবিতা প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত বলে বারবার দাবি করে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। যদিও দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা আপ নেতারা বিজেপির বিরুদ্ধে নোংরা ও প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি, গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তুলেছেন।

গত বছর আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংকেও গ্রেফতার করেছিল ইডি। বেআইনিভাবে অর্থ পাচারের অভিযোগে। ইডির দাবি, আবগারি দুর্নীতিতে কবিতা, কেজরি, সিসোদিয়া, সঞ্জয়রা গভীর ষড়যন্ত্র করেছিলেন। আবগারি সংক্রান্ত এমন এক নীতি (যা বর্তমানে বিলুপ্ত) তৈরি করা হয়েছিল যাচতে দক্ষিণ ভারতের লিকার লবি লাভবান হয়।

এর জন্য আম আদমি পার্টিকে ১০০ কোটি টাকা দক্ষিণী লবি দেবে বলেও চুক্তি হয়েছিল বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কয়েকজন অভিযুক্ত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে কেজরির নাম উঠে আসে। রিমান্ড নোট ও চার্জশিটে সে কথা উল্লেখ করেছিল ইডি।

আবগারি দুনীর্তিতে অভিযুক্ত বিজয় নায়ার কেজরির অফিসে প্রায়ই যাতায়াত করতেন এবং বেশিরভাগ সময় সেখানে কাটাতেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তিনিই লিকার পলিসি নিয়ে কেজরির সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলে মদ ব্যবসায়ীদের জানিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি ইন্দোস্পিরিটের কর্ণধার সমীর মহেন্দ্রুর সঙ্গে কেজরির পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

প্রথম বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। তখন মহেন্দ্রু ও কেজরির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলান নায়ার। সেখানে তাঁকে বিশ্বস্ত বলে পরিচয় দেন কেজরি। সাউথ লবির প্রথম অভিযুক্ত রাঘব মাগুনতা, প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ওয়াইএসআরসিপির সাংসদ। তিনি কেজরির কাছে গিয়েছিলেন লিকার পলিসি সম্পর্কে জানার জন্য।

সিসোদিয়ার প্রাক্তন সচিব সি অরবিন্দ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দাবি করেছিলেন, ২০২১ সালে তিনি মন্ত্রিমণ্ডলীর রিপোর্ট খসড়া আকারে পেয়েছিলেন। সিসোদিয়ার ডাক পেয়ে তিনি কেজরির বাড়ি গিয়ে দেখেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন সেখানে ছিলেন। সেখানেই ওই ডকুমেন্টটি ছিল।

অরবিন্দর দাবি, আবগারি নীতি সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওঠেনি। কিন্তু তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ওই খসড়ার ঊিত্তিতে একটি রিপোর্ট তৈরি করতে। ফলে ষড়যন্ত্রের শিকড় অনেক গভীরে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। সে কারণে কেজরিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+