অভিযানের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি আধিকারিকের ফোন নিয়ে নিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ ইডির
আই প্যাক দপ্তরে তল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ও তল্লাশিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয় বৃহস্পতিবার। ইডির পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা জানান, ৮ জানুয়ারি কলকাতায় আই প্যাক সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক প্রতীক জৈনের বাসভবনে অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী সহ শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
ইডির অভিযোগ, অভিযানের সময় কয়লা পাচার মামলার সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য নথি ও উপকরণ বাজেয়াপ্ত করা হয় ও সেগুলি তদন্তকারী সংস্থার হাতে না দিয়ে স্থানীয় পুলিশ তত্ত্বাবধানে সরিয়ে নেওয়া হয়। মেহেতা দাবি করেন, এক ইডি আধিকারিকের মোবাইল ফোনও ঘটনাস্থল থেকে নেওয়া হয়।

সলিসিটর জেনারেল আদালতকে জানান, সংস্থাটি তল্লাশি আগে থেকেই স্থানীয় থানাকে জানিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী, ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ, পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছন ও পরে অভিযানের পরিবেশ পরিবর্তিত হয়। ইডির বক্তব্য, এই আচরণ তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে ও কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করে।
শুনানি চলাকালে বিচারপতি মিশ্র প্রশ্ন করেন, আদালত কি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেবে? এ প্রসঙ্গে মেহেতা জানান, সংস্থার পক্ষ থেকে সরাসরি সাসপেনশনের অনুরোধ নয়, তবে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে তদন্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া উচিত।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের বক্তব্য ও প্রতিরক্ষা আদালত পরবর্তী ধাপে শুনবে।
ঘটনাটি কেন্দ্রীয় সংস্থা ও রাজ্য প্রশাসনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে আরও বিশদ আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications