Train Accident: ঝাড়খণ্ডে ট্রেন দুর্ঘটনা, হাওড়া থেকে বাতিল একাধিক ট্রেন, জেনে নিন বিস্তারিত
ঝাড়খণ্ডের চক্রধরপুরে হাওড়া-মুম্বইগামী CSMT এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। তার জেরে হাওড়া থেকে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক ট্রেন।
জানা গিয়েছে ট্রেন দুর্ঘটনায় ২ জন যাত্রী মারা গিয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৫০ জন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে রিলিফ ট্রেন। রেলের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন। সেখানে তাঁরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। হাওড়া স্টেশনে খোলা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। এছাড়া একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

বাতিল ট্রেনের তালিকা
২২৮৬১ হাওড়া-কান্তাবাজি এক্সপ্রেস
০৮০১৫/১৮০১৯ খড়গপুর ধানবাদ এক্সপ্রেস
১২০২১/১২০২২ হাওড়া-বারবিল এক্সপ্রেস
যাত্রাপথ ছোট করা হয়েছে যে ট্রেনগুলির
১৮১১৪ বিলাসপুর-টাটা এক্সপ্রেস রাউরকেল্লা পর্যন্ত যাবে
১৮১৯০ এর্নাকুলাম-টাটা এক্সপ্রেস চক্রধরপুর পর্যন্ত যাবে
১৮০১১ হাওড়া-চক্রধরপুর এক্সপ্রেস আদ্রা পর্যন্ত যাবে
এছাড়াও একাধিক ট্রেনের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একাধিক ট্রেনের ছাড়ার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বারবার ট্রেন দুর্ঘটনার জেরে যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে আগেই সেই লাইনে মালগাড়ির দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মালগাড়ির কয়েকটি কামরা লাইনের উপরে পড়েছিল। সেই ট্রেকেই দেওয়া হয়েছিল ট্রেনটি।
তার জেরেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
কয়েক মা স আগে জলপাইগুড়িতে কাঞ্চনজঙ্ঘা একপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই দুর্ঘটনায় ১০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। চালকেরও মৃত্যু হয়েছিল সেই ঘটনায়। রেলের গাফিলতিতেই এই দুর্ঘটনা হয়েছিল বলে তদন্তরিপোর্টে জানা গিয়েছিল। যদিও প্রথমে রেলের বোর্ড চালকের উপরে দুর্ঘটনার দায় চাপিয়েছিল।
গত ৬ মাসের মধ্যে পর পর ৩টি ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটল। প্রশ্ন উঠছে রেলের সুরক্ষা নিয়ে। বাজেট অধিবেশনে রেলের সুরক্ষা নিয়ে কোনও কথা বলা হয়নি। আলাদা করে রেলের বরাদ্দও কিছু করা হয়নি। রেল দুর্ঘটনা এড়াতে রেলওয়ে ট্র্যাকে কবচ সিস্টেম কার্যকর করার কথা বলেছিল রেল। কিন্তু এখনও দেশের অধিকাংশ রেলপথেই সেই সুরক্ষা কবচ নেই বলে জানিয়েছে রেলবোর্ড। এদিকে একের পর এক রেলদুর্ঘটনায় যাত্রীদের মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই রেল দুর্ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, এই মৃত্যু মিছিল থামবে কবে। প্রাণ হাতে করে কতোদিন যাত্রীরা ট্রেনে যাতায়াত করবেন। বারবার ট্রেন যাত্রীদের প্রাণ সংশয়ের জন্য দায়ী কারা। এই নিয়ে সওয়াল তুলেছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই দুর্ঘটনার সঙ্গে বালেশ্বরের দুর্ঘটনার মিল রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications