অসময়ে প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত অসম, ২০,০০০ ক্ষতিগ্রস্ত, প্রাণ গেল ৮ জনের
অসময়ে প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত অসম, ২০,০০০ ক্ষতিগ্রস্ত, প্রাণ গেল ৮ জনের
অসময়ে প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত বিস্তীর্ণ এলাকা। কমপক্ষে ৮ জন মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রায় ২০,০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রবল বর্ষণে। ৫৯২টি গ্রাম ভেসে গিয়েছে। অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। গত ১৪ এবং ১৫ এপ্রিলের প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে কমপক্ষে ৮ জন মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিপর্যয় মো

ঝড়-বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত অসম
গত ২ দিনে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে অসমে। বৈশাখের প্রথমেই এই ভয়ঙ্কর ঝড়-বৃষ্টি আগে কখনও েদখা যায়নি অসমে। গত ১৪ এবং ১৫ এপ্রিল অসমের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল েয লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। গোয়ালপাড়া এবং বড়াপেট জেলার প্রায় ৫৯২টি গ্রাম প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই অসময়ের দুর্যোগে। গোয়ালপাড়া, বড়াপেট ছাড়াও ডিব্রুগড়, কামরূপ,নলবাড়ি, চিরাং, দারাং, কাছাড়, গোলাঘাট, কার্বি আংলং, উডালগুড়ি জেলারও বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কমপক্ষে ৮ জনের প্রাণহানি
অসমের এই দুর্যোগে কমপক্ষে ৮ জন মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। ১৫ এপ্রিলের প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ডিব্রুগড়ের তিনখংয়ে ৪ জন মারা গিয়েছেন। আর বড়াপেট জেলায় মারা গিয়েছেন তিন জন এবং গোয়ালপাড়া জেলায় ১৪ এপ্রিল ১ জন মারা গিয়েছেন। ৮ জনের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে। ১৫ এপ্রিল গোয়ালাপাড়ায় যে তিনজন মারা গিেয়ছে তার মধ্যে ১৫ বছরের এক কিশোর মারা গিেয়ছে বজ্রপাতে।

২০,০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
হঠাৎ করে দুদিনের এই ঝড়-বৃষ্টিতে কমপক্ষে ২০,০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে গিয়েছে। ঝড়ের তীব্রতায় ভেঙে গিয়েছে ৫৮০৯টি কাঁচা বাড়ি। এছাড়া ৬৫৫টি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮৫৩টি কাঁচা বাড়ি আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর ২৭টি পাকা বাড়ি পুরো ভেঙে পড়েছে। এছাড়াও অসমের ১২ জেলায় বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর।

অসমের বিপর্যয়ে শঙ্কা
চৈত্র মাস জুড়ে কোথাও কোনও ঝড়-বৃষ্টি হয়নি। পশ্চিমবঙ্গেও একই পরিস্থিতি। কিন্তু পয়লা বৈশাখের দিন সকালে কোচবিহারে ১০ মিনিেটর বিধ্বংসী ঝড়ে প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একজন মারা গিয়েছেন। আহত হয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। তাঁদের হাসপাতােল চিকিৎসা চলছে। অসংখ্য কাঁচা বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। একাধিক গাছ উপড়ে পড়েছে রাস্তায়। তার জেরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। আলিপুরদুয়ারেও ১৪ এপ্রিল রাতে ভয়ঙ্কর ঝড় হয়েছে। সেই ঝড়ের দাপটেও তছনচ হয়েেছ বিস্তীর্ণ এলাকা।












Click it and Unblock the Notifications