Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

করোনাকালে কোথাও বসেছে চাকরিতে থাবা, কোথাও রেশনের দোকানে লম্বা হয়েছে লাইন! কোন সংকটে দেশ

করোনাকালে কোথাও বসেছে চাকরিতে থাবা, কোথাও রেশনের দোকানে লম্বা হয়েছে লাইন! কোন সংকটে দেশ

করোনারকালে কঠোর বিধি যেমন স্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে সুরক্ষিত রাখতে তৈরি করা হয়েছে, তেমনই আবার এই কঠোর বিধি তথা কার্যত লকডাউনের জেরে বহু মানুষ খুইয়েছেন চাকরি। 'বিজনেস স্ট্র্যান্ডার্ড' র একটি রিপোর্ট বলছে, ১৫ মিলিয়ন ভারতীয় মে মাসে খুইয়েছেন চাকরি। প্রসঙ্গত, এই মাসটিতেই করোনার দ্বিতীয় স্রোত দাপট দেখিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের ক্ষুধা ঘিরে পরিসংখ্যান কোন জবাব দিচ্ছে, তা দেখা যাক।

বাড়ছে ক্ষুধা , কমছে হাতের অর্থ !

বাড়ছে ক্ষুধা , কমছে হাতের অর্থ !

একদিকে করোনা পরিস্থিতিতে উৎপাদন ক্ষেত্র থেকে কাজ খুইয়েছেন হাজার হাজার মানুষ, অন্যদিকে, চড়চড় করে বেড়েছে জ্বালানির দাম। সঙ্গে বেড়েছে দুধের নামী ব্র্যান্ডের দাম। দাম বাড়ার আশঙ্কায় যখন ভুগছেন সাধারাণ মধ্যবিত্ত থেকে দিন মজুরের পরিবার,তখন রেশনের দোকানে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। বিশেষত দিন মজুরের পরিবারে এই সংকটের মেঘ ঘনিয়ে আসছে বলে দাবি বহু বিশেষজ্ঞের। দাম বৃদ্ধির ফলে , কাজ হারানোর জেরে বহু মানুষের হাতেই কমেছে টাকার অঙ্ক।

কমছে খাওয়ার পরিমাণ!

কমছে খাওয়ার পরিমাণ!

আজিম প্রেমজি ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে দেশের ৯০ শতাংশ ঘরে খাওয়ার ক্ষেত্রে কমতি দেখা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দিন মজুরদের পরিবারে নিত্যদিনের খাবার জোগাড় যেমন একটি আতঙ্কের বিষয়। এরই সঙ্গে সন্তানদের স্কুলের খরচ আরও বেশি মাথা চাড়া দিচ্ছে করোনার পরিস্থিতিতে।

কতখানি কমতিতে আয়?

কতখানি কমতিতে আয়?

সাম্প্রতিক, এক রিপোর্টে বলা হয়েছে , ভারতে ২০১৯ সালে দিন মজুরদের বেতন যা ছিল তার থেকে অনেকটাই কম ২০২০ সালে । রিপোর্ট বলছে, পরিস্থিতি এমনই খারাপ যে বহু জনই নিজের দেনার টাকা নিজের গচ্ছিত সম্পত্তি থেকে বের করে দিয়ে শোধ করছেন। রিপোর্ট বলছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি ফেব্রুয়ারিতে যা পরিস্থিতি ছিল, তা ফের একবার ফিরে আসবে বলে কারোরই মনে হচ্ছে না।

বাড়ছে রেশনের লাইন, সরকারের কোন পদক্ষেপ!

বাড়ছে রেশনের লাইন, সরকারের কোন পদক্ষেপ!

চাল, গম, সহ বিভিন্ন খাবারে ভারত সরকার ইতিমধ্যেই রেশনে কম দামে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। ঘোষণা হয়েছে বিনামূল্যে দেওয়া ফসলের। দেওয়া হচ্ছে ভর্তুকি। বহু রাজ্যেই কম দামে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যশস্য দেওয়া হচ্ছে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই পরিস্থিতি ২০২১ সাল পর্যন্তও চলছে। তবে তাতে করোনাকালে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক করেছে বাড়-বাড়ন্ত জ্বালানির দাম।

রাজ্যস্তরেও সংকট!

রাজ্যস্তরেও সংকট!

এদিকে, দিল্লি সহ একাধিক রাজ্য করোনাকালে মানুষকে বিনামূল্যে খাবার জোগানের কথাও ঘোষণা করেছে। তবে দিল্লি সরকারের একটি সূত্রের দাবি, জুনের শুরুতেই রেশনের শস্যে ঘাটতি দেখা গিয়েছে।

সংকটে মধ্যবিত্তরাও!

সংকটে মধ্যবিত্তরাও!

'খানা চাহিয়ে' নামের এক সংগঠন ক্ষুধার্তের মুখে খাবার তুলে দেয়। তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, গত বছর তাদের কাছে বহু দিন মজুর সাহায্যপ্রার্থী হয়ে আসেন। তবে এই বছর করোনাকালে মধ্যবিত্তদেরে সাহায্য প্রার্থনার হার বাড়ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়বাড়ন্ত খাবারের দাম, ফসলের দামের জেরে এই পরিস্থিতি শুরু হয়েছে। এরসঙ্গে বিলম্বিত বর্ষায় ফসলের উৎসপাদনও একটি ফ্যাক্টর। সব মিলিয়ে কঠিন জটিলতার মধ্যে পড়ে গিয়েছে দেশ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+