পাঞ্জাবের ভারত–পাক সীমান্তে ফের দেখা গেল ড্রোন, অনুপ্রবেশ ব্যর্থ করল বিএসএফ
পাঞ্জাবের ভারত–পাক সীমান্তে ফের দেখা গেল ড্রোন, অনুপ্রবেশ ব্যর্থ করল বিএসএফ
পাকিস্তান থেকে পাঞ্জাবে আকাশসীমা অতিক্রম করে ড্রোন ঢুকে পড়া নতুন নয়। রবিবার রাতেও পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ভারত–পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন দ্বারা অনুপ্রবেশের চেষ্টাকে ব্যর্থ করল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। ড্রোন দেখামাত্রই বিএসএফ গুলি চালায়, যার ফলে ড্রোন আবার পাকিস্তানের দিকে চলে যায়।

এই ড্রোনটি পাকিস্তানের দিক থেকে গুরুদাসপুর সেক্টরের কাসোওয়াল সীমান্তের আউটপোস্টের দিকে আসছিল। কিন্তু বিএসএফের এক কর্মী তা দেখার পর সতর্ক করে এবং সেই ড্রোনের দিকে লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এরপর ড্রোনটি পুনরায় পাকিস্তান সীমান্তের দিকে চলে যায়। রবিবার রাতের ঘটনার পর এলাকা জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বিএএফ।
অপরদিকে, পাঞ্জাবের ডেরা বাবা নানক এলাকার আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে এক পাক যুবকের সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে এসেছে। বিএসএফ তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও পাকিস্তানের টাকা উদ্ধার করেছে। সম্ভবত ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিল সে। বিএসএফ তাকে গ্রেফতার করেছে এবং তাকে জেরা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবারও গভীর রাতে এরকমই একটি ড্রোনকে গুলি করে নীচে নামিয়ে আনে বিএসএফ। পাঞ্জাবের ফিরোজপুরের ভারত–পাক সীমান্তে এই ড্রোনটি দেখা গিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে এই ড্রোনটি পাকিস্তানের, যদদিও হেক্সা–কপ্টার থেকে কোনও মাদক, অস্ত্র বা কার্তুজ উদ্ধার হয়নি। বিএসএফ জানিয়েছে, এই ড্রোনটি চিনের তৈরি। শনিবার এক বিবৃতিতে বিএসএফ জানিয়েছে যে শুক্রবার রাত ১১টার পর এই ঘটনা ঘটেছে। সাধারণত পাকিস্তান থেকে পাঠানো ড্রোনে করে মাদক বা অস্ত্রশস্ত্র ফেলে দেওয়া হয় ভারতীয় ভূখণ্ডে। তবে এই ড্রোনে কিছুই পাওয়া যায়নি। পরপর দু’দিন আন্তর্জাতিক সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় গোটা এলাকা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে এবং তল্লাশি চলছে এলাকা জুড়ে।
এর আগেও বহুবার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল কিন্তু ভারতীয় সেনারা তার যোগ্য জবাব দিয়েছে। বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তা পঙ্কজ কুমার সিং ৩০ নভেম্বর বলেছিলেন যে পাঞ্জাব এবং জম্মু সীমান্তে এই বছর এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৭টি ড্রোন দেখা গিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, 'এই মুহূর্তে আমাদের দেশে ড্রোনের সংখ্যা কম এবং এগুলো সবই চিনের তৈরি ড্রোন। তারা খুব উন্নত এবং কম ওজন তুলতে সক্ষম এবং ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে তারা মাদক বহন করে।’












Click it and Unblock the Notifications