কর্নাটকে দোলাচল অব্যাহত মাঝরাতেও, কুমারস্বামীর জাল পদত্যাগপত্র নিয়ে নাটক
সোমবার সকাল থেকেই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী আস্থা ভোটের অপেক্ষা না করেই ইস্তফা দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছিল। একই মধ্যে সন্ধ্যার পর আস্থা ভোট নিয়ে আলোচনা শুরু হতেই চূড়ান্ত নাটক শুরু হয়ে গেল।
সোমবার সকাল থেকেই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী আস্থা ভোটের অপেক্ষা না করেই ইস্তফা দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছিল। একই মধ্যে সন্ধ্যার পর আস্থা ভোট নিয়ে আলোচনা শুরু হতেই চূড়ান্ত নাটক শুরু হয়ে গেল। জাল পদত্যাগপত্র প্রকাশ্যে আসা নিয়ে কুমারস্বামী সরব হলেন। তিনি বলেন, তাঁর সই নকল করে কেউ এই পদত্যাগপত্র প্রকাশ্যে এনেছেন।

জাল পদত্যাগপত্র মূহূর্তে ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। তিনি বলেন, আমি নিজে জানি না, অথছ খবর রটিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমি নাকি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগ পত্র পেশ করেছি। তারপর এই জাল পদত্যাগপত্র প্রকাশ্যে চলে এল। তিনি এই জাল পদত্যাগপত্র পেশ করেন অধ্যক্ষের কাছে।
কংগ্রেস ও জেডিএস চাইছে যে কোনও মূল্যে আস্থা ভোট একদিন পিছিয়ে দিতে। মঙ্গলবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে বিদ্রোহী বিধায়কদের মামলার রায় জেনেই এই আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে চাইছে কংগ্রেস ও জেডিএস। বিজেপি চাইছে কালবিলম্ব না করে আস্থা ভোট করতে। কুমারস্বামী সরকারকে ফেলে ফের কর্নাটকের কুর্সিতে বসতে চাইছেন ইয়েদুরাপ্পা।
এদিন ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়ক অংশ নিচ্ছেন না আস্থা ভোটে। এই ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়কের মধ্যে কংগ্রেসের ১৩ জন বিধায়ক আর জেডিএসের তিন জন বিধায়ক। অন্যদিকে বিএসপি বিধায়কও অংশ নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। কাজেই আস্থাভোট হলে যে জোট সরকারের জেতা অসম্ভব, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সে কারণেই আস্থা ভোট পিছিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর কংগ্রেস-জেডিএস সরকার। অধ্যক্ষ চাইছেন, রাতেই এই সমস্যার সমাধান করতে। তাই ডিনারের পরও তিনি বিধানসভা চালিয়ে যেতে চাইছেন। ইয়েদুরাপ্পার প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান এ কথা।












Click it and Unblock the Notifications