দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, সাধারণ মানুষ কী করবেন আর কী করবেন না, একনজরে
গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা (coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩, ৮৪৬ জন। যা চারমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ-এর (second wave) মুখে দাঁড়িয়ে পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে কড়া ব্যবস্থা
গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা (coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩, ৮৪৬ জন। যা চারমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ-এর (second wave) মুখে দাঁড়িয়ে পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এব্যাপারে মানুষের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন। পরিস্থিতি যে ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, তা নিয়ে সতর্কও করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আবেদন
দেশবাসীর কাছে আবেদনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, করোনার বিধি সক্রিয়ভাবে মেনে চলতে হবে। কোনও শিথিলতা দেখানো চলবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সঠিকভাবে মাস্ক পরতে হবে। সাবান দিয়ে সঠিকভাবে হাত ধুতে হবে। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেষে করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাকসিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম অস্ত্র।

করোনার ঢেউ আটকাতে কী করবেন
- করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আটকাতে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে।
- বাইরে বেরোলে স্যানিটাউজার নিয়ে বেরোতে হবে। বারবার তা ব্যবহার করতে হবে।
- বাড়ির বাইরে বেরোলে সবসময় মাস্ক পরতে হবে। কাশি হলে টিসু কিংবা রুমাল দিয়ে মুখ ঢাকতে হবে। আর সেই সময় মাস্ক খোলা যাবে না। মাস্ক ব্যবহারের পরে তা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। একইভাবে ব্যবহৃত পিপিই এবং গ্লাভসও নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে।
- অন্তত ছয়ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
- শরীর ভাল না লাগলে বাড়িতে থাকুন। জ্বর, কাশি কিংবা শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

করোনার ঢেউ আটকাতে কী করবেন না
- কোনও ভাবেই মুখে হাত লাগানো যাবে না। বিশেষ করে চোখ, নাক এবং মুখে হাত লাগানো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।
- ভিড় জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। যতটা সম্ভব অন্য মানুষের সঙ্গে সংযোগ এড়িয়ে চলতে হবে।
- মল, জিম, রেস্টুরেন্টে, পাব যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়, সেখানে না যাওয়াই ভাল।
- শহর, রাজ্য কিংবা দেশে অপ্রয়োজনীয় না ঘুরে বেড়ানোই ভাল।
- প্রকাশ্য স্থানে থুতু ফেলা যাবে না।

সরকারি অফিসের জন্য কেন্দ্রের নির্দেশিকা
- সরকারি অফিসের জন্য কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে সরকারি অফিসে ঢোকার মুখে থার্মাল স্ক্যানার বসাতে হবে। রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। কেনও কর্মীর ফ্লু-এর মতো পরিস্থিতি থাকলে চিকিৎসা কিংবা আলাদা করে দিতে হবে।
- অফিস কমপ্লেক্সে যতটা পারা যাবে বাইরের লোকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখতে হবে। যাঁরা আসবেন, তাঁদের স্ক্রিনিং করেই অফিসে ঢোকাতে হবে।
- সরকারি বৈঠক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করার কথা বলা হয়েছে। ব্যবহার করতে হবে ইমেল। খুব বেশি সরকার না হলে ট্রাভেল করতে বারণ করা হয়েছে।
- সরকারি ভবনে থাকা জিম, রিক্রিয়েশন সেন্টারগুলিকে বন্ধ করে দিতে হবে।
- কাজের জায়গায় বারেবারে স্যানিটাইজেশন করতে হবে।
- কারও শারীরিক অসুবিধা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্টিং অফিসারকে জানাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications