ইসলামিক সন্ত্রাস প্রসঙ্গে বাগদাদীকে 'রাক্ষস' তকমা ! মোদীকে পাশে নিয়ে পাকিস্তানকে বড় তোপ ট্রাম্পের
ইসলামিক সন্ত্রাস প্রসঙ্গে বাগদাদীকে 'রাক্ষস' তকমা ! মোদীকে পাশে নিয়ে পাকিস্তানকে বড় তোপ ট্রাম্পের
গোটা মোতেরা স্টেডিয়াম তখন উল্লাসে ফেটে পড়ছে। স্টেডিয়ামের মাঝে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে এসেই জনতার উদ্দেশে হাত নাড়ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সঙ্গে তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভূমিপুত্র মোদীকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত মোতেরা। এমন এক পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প মোদীকে সঙ্গে নিয়েই দাপটের সঙ্গে বক্তব্য রাখলেন একাধিক ইস্যুতে। আর সেই ইস্যুর মধ্যে উঠে এলো পাকিস্তান, উঠে এলো ইসলামিক সন্ত্রাস।

ট্রাম্পের তোষণেও লাভ হল না ইমরানের!
FATFএর ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে মার্কিন সফরে গিয়ে বারবার ট্রাম্প তোষণ করে এসেছেন ইমরান সহ পাক মন্ত্রীরা। এমনকি কার্য সিদ্ধিতে ইরানের বিরোধিতা করতেও ইমরান ছাড়েননি। কাশ্মীর ইস্যুতে ট্রাম্পকে পাশে পেতে মধ্যস্থতার আমন্ত্রণও দিয়ে ফেলেছিলেন ইমরান। আর এত পর্বের পরও সেই ট্রাম্প ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে মোদীকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ইমরানের দেশকেই তোপ দাগলেন। এদিন মোতেরা থেকে কার্যত ট্রাম্প মেনেই নিয়েছেন যে পাকিস্তান সন্ত্রাসে মদত দেয়। আর সেই বিষয়ে মার্কিন সরকার পাক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা কোনপথে?
ট্রাম্প জানান , দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে। তাঁর আশা এই আলোচনা দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনবে । এই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, তিনি জানান যে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলছে। আর মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সাফ বার্তা ইমরানে যাবতীয় উদ্যোগে যে জল ঢেলে দিয়েছে সন্ত্রাস ইস্যুতে তা বলাই বাহুল্য!

উগ্র ইসলামিক সন্ত্রাসের মোকাবিলায় ভারতীয়-মার্কিনিরা
উগ্র ইসলামিক সন্ত্রাসকে রোখার জন্য ভারত আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একযোগে চেষ্টা করছে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, তিনি বলেন দুটি দেশের কাছেই জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএস একটি ত্রাস। ' আমার প্রশাসনে মার্কিন সেনাকে পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে যাতে রক্ত তৃষ্ণার্ত আিএসআইএস কে দমন করা যায়। .. সেখানে খালিফা আর নেই। ' এপ্রসঙ্গে তিনি আইএস প্রধান বাগদাদীকে 'রাক্ষস ' বলে মন্তব্য করেন।

সন্ত্রাসে প্রবেশ নিষেধ!
মোতেরার মঞ্চ থেকে এদিন ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন মুলুকের দরজা সকলের জন্য খোলা। শুধুমাত্র বন্ধ সন্ত্রাসবাদীদের জন্য। আর সেই কারণেই তাঁদের কাছে নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সন্ত্রাসকে যে , যেকোনও মূল্যে আটকাতে তৎপর ট্রাম্পরা তা জানাতে ভোলেননি মার্কিন রাষ্ট্রপতি।












Click it and Unblock the Notifications