বেতন ছিল করণিকের সমান! ১৯ বছর আগে চিকিৎসকের নিজের অবস্থা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ভাইরাল
এমবিবিএস পাশ করার পরে এক চিকিৎসকের বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি একজন নিউরোলজিস্ট এবং একটি ভারত খ্যাত বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। টুইটারে একজন চিকিৎসকের জীবন মিতব্যয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করে একথাই বলেছেন সুধীর কুমার।
টুইটারে চিকিৎসক সুধীর কুমার বলেছেন, ২০ বছর আগে তিনি একজন তরুণ চিকিৎসক। ২০০৪-এ নিউরোলজিতে ডিএম করার পরে তাঁর বেতন ছিল মাসে নয় হাজার টাকা। এই ঘটনাটি এমবিবিএস পাশ করার পরের। সিএমসি ভেলোরে নিজের অধ্যাপকদের দেখা পরে তাঁর মনে হয়েছিল চিকিৎসকদের জীবন মিতব্যায়ী হওয়া উচিত, ন্যূনতম জিনিস নিয়ে জীবনযাপন করা উচিত।

টুইটারের জবাব দিতে গিয়ে বলেছেন, যখন সংগ্রাম করছেন, সেই সময় সমাজসেবা করা একজন তরুণ চিকিৎসকের পক্ষে কঠিন কাজ। অপর টুইটে চিকিৎসক সুধীর কুমার বলেছেন, তাঁর মা কম বেতন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। চিকিৎসক বলছেন, তিনি বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও মা সরকারি অফিসের (যেখানে বাবা চাকরি করতেন) করণিকের সমান বেতনে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন।
বর্তমানে বিখ্যাত এই নিউরোলজিস্ট বলেছেন, প্রথমে ১২ বছর স্কুলে পড়াশোনা, তারপরে ১২ বছর ধরে এমবিবিএস, এমডি এবং ডিএম। সেই সময় জুড়ে মায়ের ভালবাসা এবং যন্ত্রণা সবই দেখেছেন তিনি।
Agree with you.
— Dr Sudhir Kumar MD DM (@hyderabaddoctor) April 4, 2023
I was also a young practitioner 20 yrs back. My salary 4 yrs after DM Neurology (2004) was Rs 9000/month. This was 16 yrs after joining MBBS. At CMC Vellore, by observing my professors, I realized that doctor's life should be frugal & learnt to live with bare… https://t.co/IPnJKoIixs
পড়াশোনা যখন করেছেন, তখন দীর্ঘদিন কারও সঙ্গে দেখা হয়নি। ১৭ বছর বয়সে বিহার থেকে তামিলনাড়ুর ভেলোরে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন ট্রেনের দ্বিতীয় শ্রেণিতে। যখন এমবিবিএস পড়েছেন ৫ বছর কেউ তাঁকে দেখতে আসেনি। বাড়ির আর্থিক পরিস্থিতি ভাল ছিল না। এমবিবিএসএ- ভর্তির পর পাঁচ বছরের বেশি সময় নিজের সব কিছু নিজেই যোগার করেছিলেন।
নিজের পড়ুয়া জীবনের কথা বলতে গিয়ে সুধীর কুমার বলেছেন, পুরো এমবিবিএস-এর সময় দু-সেট জামা-কাপড় ছিল। সিনিয়রদের থেকে পুরনো সংস্করণের বই ধার করে পড়তেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে নতুন সংস্করণের বইয়ের সাহায্য নিতেন। রেস্টুরেন্ট কিংবা সিনেমা হল কোথাও যেতেন না। কোনও দিন ধূমপান কিংবা মদ খাননি। তাঁর এই পোস্টটির ভিউ ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে অনুসরণকারী একজন বলেছন, সেই সময় একজন পিএইচডি ছাত্র কর মুক্ত ৮ হাজার টাকা বৃত্তি পেতেন। একজন বলছেন দেশের চিকিৎকরা উপযুক্ত বেতন পান না। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেখানে লুট চালায়। সেখানে চিকিৎসক কিংবা রোগী কেউই উপকৃত হন না হলেছেন সেই অনুসরণকারী।












Click it and Unblock the Notifications