২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধন, প্রাণপ্রতিষ্ঠীয় কী হয় জানেন?

আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন তারপরেই অযোধ্যার রাম মন্দিরের দরজা খুলে যাবে সকলের জন্য। সেদিনই হবে রামলালার মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে প্রায় ৪ হাজার ভিভিআইপি উপস্থিত থাকবেন এদিনের মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হতে।

কিন্তু অনেকেই জানেন না প্রাণপ্রতিষ্ঠা কী ভাবে হয়। রাম মন্দিরে রামলালার মূর্তি বসবে অনুষ্ঠান করে। কিন্তু তার পর সেই মূর্তিতে হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠী। অর্থাৎ মূর্তি থেকে ভক্তের ভগবানে পরিণত হবেন তিনি। যিিন শুনতে পারবেন ভক্তদের প্রার্থনা। তাঁদের অনুযোগ, অভিমান, রাগ, দুঃখ, কষ্ট। সব কিছু। অর্থাৎ প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভক্তের ভগবানে পরিণত হবেন তিনি।

Ayodhya Ram Mandir

প্রাণ প্রতিষ্ঠার িদনে প্রথমেই যেটা করা হবে সেটা হল শোভাযাত্রা। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে রামলালার মূর্তিকে নিয়ে আসা হবে মন্দিরের গর্ভগৃহে। ১৭ জানুয়ারি শুরু হবে সেই শোভাযাত্রা। ভক্তদের দর্শন দিতে দিতেই রাম পথ হতে তিনি প্রবেশ করবেন মূল মন্দিরে।

গর্ভগৃহে মূর্তি নিয়ে আসার পরেই শুরু হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার উপাচার। হিন্দুমতে যেমন গৃহদেবতার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয় তেমনই মন্দিরের দেবতারও প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে শুরু হয় অধিবাস। সেই অধিবাসে এক রাত্তিরের জন্য মূর্তিকে রেখে দেওয়া হয় জলের মধ্যে। যাকে বলা হয় জলাধিবাস। তার পরে ধানদিয়ে স্নান করানো হয়। যাকে বলা হয় ধন্যাধিবাস। এই অধিবাস করা হয় কারণ মূর্তিকার যখন ভগবানের মূর্তি গড়েন তখন তাঁর বিভিন্ন যন্ত্রের আঘাত লাগে মূর্তির শরীরে। এই অধিবাসের মাধ্যমে সেই আঘাতকে সারিয়ে তোলা হয়। সেই সময় মূর্তির কোও খুঁত থাকলেও সেটা বেরিয়ে আসে।

তারপরে আসে স্নান। অধিবাসের পরে স্নান বা অভিষেক করানো হয়। ১০৮ রকমের দ্রব্য দিয়ে অভিষেক করা যায় মূর্তির। তার মধ্যে রয়েছে পঞ্চামৃতও। ফুল, দুধ, দই, ঘি, মধু, গঙ্গাজল, আখের রস। এইভাবে একে একে বিভিন্ন দ্রব্যদিয়ে মূর্তির অভিষেকের পর হয় চক্ষুদান। এটি হচ্ছে প্রাণ প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাচার।

এই উপাচারে দেবতার দৃষ্টি দান করা হয়। ভারতীয় হিন্দু শাস্তি সূর্য হচ্ছে চক্ষু, বায়ু হচ্ছে কান আর চন্দ্র হচ্ছে মস্তিস্ক। এই তিন দেবতার পুজোর পরেই চোখে কাজল দিয়ে দেবতার চক্ষুদান করা হয়। যে মুহূর্তটিতে দেবতার কচক্ষুদান করা হয় সেই মুহূর্তে সরাসরি দেবতার দিকে তাকাতে হয়। কাকোদ পাহাড় থেকে সেই কাজল িনয়ে আসা হয়েছে। সেই পাহাড়ে একধরনের কালো পাথর পাওয়া যায়। যেটি গুঁড়ো করে তৈরি করা হয় কাজল। সেই মুহূর্তেই হয় দেবতার প্রাণ প্রতিষ্ঠা। অর্থাৎ প্রাণ প্রতিষ্ঠার সর্ব শেষ উপাচার হল চক্ষুদান।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+