Lakshadweep: ওত পেতে বসেছিল পাকিস্তানও, জানেন কীভাবে লাক্ষাদ্বীপ হাতে পেল ভারত
এতোদিন দেশের জলসীমান্তের ছোট্ট একটা দ্বীপ বলেই ছিল তার পরিচয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী পা রাখতেই লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে হইহই পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। মলদ্বীপের সমকক্ষ বলে দাবি করা হচ্ছে লাক্ষাদ্বীপকে। যাঁরা লাক্ষাদ্বীপ বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করে ফেলেছেন তাঁদের অনেকেই হয়তো জীবনে প্রথম শুনলেন ভারতের এই দ্বীপের কথা।
নামই যেখানে অন্তরালে ছিল সেখানে সেখানকার ইতিহাস জানবেন সকলে এটাকে কষ্টকল্পনাই বলা চলে। ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারত একবারেই পুরো স্বাধীনতা পেয়ে যায়নি। একাধিক জায়গার দখল নিতে এনেক কালঘাম ছোটাতে হয়েছিল তৎকালীন শাসকদের। যেভাবে কাশ্মীর- হায়দরাবাদের স্বাধীনতা নিয়ে এক প্রকার বুদ্ধির খেলা খেলতে হয়েছিল তৎকালীন ভারত সরকারকে।

সেখাবে ভারতের শেষ প্রান্তে অবস্থিত ছোট্ট এই কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের দখল নিতেও কম কাঠ খড় পোড়াতে হয়নি। দেশ ভাগের পর এই লাক্ষাদ্বীপের দখল নিয়ে ওত পেতে বসেছিল পাকিস্তানও। পাকিস্তানের পক্ষে খুব সহজ ছিল লাক্ষাদ্বীপের দখল নেওয়া। সেটা হলে আজ পরিস্থিতিটা একেবারেই অন্যরকম হতো। কিন্তু অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সেসময় ভারত সরকার তথা ভারতীয় সেনা পদক্ষেপ করে। যার নেপথ্যে ছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।
সর্দার বল্লভ ভাই প্যােটলের জন্য যেমন হায়দরাবাদ, গুজরাতের জুনাগড় ভারতের দখলে এসেছিল। সেভাবেই অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে লাক্ষাদ্বীপও নিজেদের দেখলে নিেয়ছিল ভারত। পাকিস্তান তৈরি হওয়ার পর ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশই লাক্ষাদ্বীপের দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। সেই লক্ষ্যে পাকিস্তান রণতরী পাঠায় লাক্ষাদ্বীপের পথে। আগেই তার খবর পৌঁছে গিয়েছিল বল্লভ ভাই প্যাটেলের কাছে।
সঙ্গে সঙ্গে তিনি বার্তা পাঠিয়েছিলেন মুদালিয়ার ব্রাদার্সের কাছে। অ্যারকট রামেশ্বমী মুদালিয়ার এবং অ্যারকট লক্ষ্মণ স্বামী মুদালিয়ার দুই ভাই। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ত্রিভাঙ্কুরের জনতাকে নিয়ে ভারতের জাতিয় পতাকা হাতে লাক্ষাদ্বীপে পাড়ি দেন। মহীসূরের শেষ দিওয়ান ছিলেন রামেশ্বমী মুদালিয়ার। তাঁর ভাই লক্ষ্মণ স্বামী মুদালিয়ার ছিলেন মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ২০ বছর সেই পদে ছিলেন তিনি। দুই বাইয়েরই জন্ম তামিল পরিবারে।
যেহেতু তামিলনাড়ু থেকে লাক্ষাদ্বীপ কাছে সেহেতু পাকিস্তান পৌঁছমোর আগেই জাতীয় পতাকা নিয়ে তাঁরা পৌঁছে যান সেখানে এবং সেখানে ভারতের তেরঙ্গা উড়িয়ে জানিয়ে দেন এই দ্বীপটি ভারতের অংশ। সর্দার প্যােটলের নির্দেশেই লাক্ষাদ্বীপের উন্নয়নে একাধিক কাজ করেছিলেন তাঁরা। পাকিস্তান ভারতের জাতীয় পতাকা দেখে সেখান থেকে ফিরে যায়।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications