Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

একাধিক ব্যাঙ্কে কি একের বেশি অ্যাকাউন্ট রয়েছে আপনার? তাহলে কখনই প্রতিবেদনটি এড়িয়ে যাবেন না

বেশির ভাগ সময়েই একজন গ্রাহকের একের বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকে। অনেক সময়ে সংস্থা চেঞ্জ করলেও থেকে যায় এক বা একাধিক সেলারি অ্যাকাউন্ট। কিন্তু জানেন কি এক বা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকাটা কতটা ক্ষতিকর।

বেশির ভাগ সময়েই একজন গ্রাহকের একের বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকে। অনেক সময়ে সংস্থা চেঞ্জ করলেও থেকে যায় এক বা একাধিক সেলারি অ্যাকাউন্ট। কিন্তু জানেন কি এক বা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকাটা কতটা ক্ষতিকর।

এমনকি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকার ফলে আর্থিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট গ্রাহক। অনেক ক্ষেত্রে এই বিষয়টি গ্রাহকের একেবারে অজান্তের বাইরেই ঘটছে।

Tax এবং investment-এর ব্যপারে যারা বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন এক্ষেত্রে তারা বলছেন একটা মাত্র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলে খুব সহজেই রিটার্ন ফাইল করা যায়।

একের বেশি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট?

একের বেশি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট?

যদি কোনও গ্রাহকের একাধিক ব্যাঙ্কে একের বেশি অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে সবথেকে লোকসান হন নুন্যতম টাকা রাখার ক্ষেত্রে। কারণ বিভিন্ন ব্যাঙ্কে নুন্যতম টাকা রাখার নিয়ম বিভিন্ন ধরনের। ফলে তা মেনটেন করতে গিয়ে দেখা যায় অনেক বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে।

এছাড়াও রয়েছে ডেবিট কার্ড চার্জ, এসএমএস চার্জ, সার্ভিস চার্জও রয়েছে। যতগুলি ব্যাঙ্কে আপনার অ্যাকাউন্ট রয়েছে প্রত্যেক ব্যাঙ্কে আপনাকে এতগুলি চার্জ দিতে হবে। প্রত্যেক ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা। সমস্ত চার্জ একসাথে নিয়ে এসে যোগ করলে দেখা যাবে অতিরিক্ত একটা টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। আর তা হচ্ছে নিজের অজান্তেই।

একাধিক ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রাখার কোনও লাভ পাওয়া যায় না, বরং ক্ষতি অনেক বেশি। অনেক সময়ে ব্যাঙ্কে যদি নুন্যতম ব্যাল্যান্স মেনটেন করা না হয় তাহলে অনেক সময় ব্যাঙ্ক মোটা অঙ্কের একটা চার্জ করে দেয়।

রিটার্ন ফাইলে হতে পারে সমস্যা

রিটার্ন ফাইলে হতে পারে সমস্যা

ট্যাক্স পরামর্শদাতারা বলছেন, যদি আপনি আপনার একটা অ্যাকাউন্টে ঠিক ভাবে লেনদেন করে তাহলে রিটার্ন ফাইল করতে অনেক সুবিধা হয়। আপনার রোজগারের সমস্ত তথ্য একটা মাত্র অ্যাকাউন্টেই থাকে। আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্টে যদি বিভিন্ন তথ্য থাকে তাহলে ক্যালকুলেশনে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। এমনকি টোটাল রোজগারের হিসাব করতে গিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে ট্যাক্স পরামর্শদাতারা। এমনকি জমা দেওয়া তথ্যে যদি কোনও সমস্যা তৈরি হয় তাহলে আপনাকে আয়কর বিভাগ নোটিশ ধরাতে পারে বলেও আশঙ্কা থাকছে।

এক ছাতার নীচে সমস্ত তথ্য

এক ছাতার নীচে সমস্ত তথ্য

যদিও এই সমস্ত সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পেতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এই বাজেটে নয়া এক পদ্ধতির ঘোষণা করেছেন। নয়া নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে সেলারি থেকে হওয়া আয়ের বাইরেও যে সমস্ত জায়গা থেকে ইনকাম হচ্ছে সেই সমস্ত বিষয় আগে থেকে জানা যাবে। যেমন dividend income, Capital Gains Income, Bank Deposit Interest Income, পোস্ট অফিসে রাখা টাকা থেকে সুদ হিসাবে হওয়া রোজগারের তথ্য দেওয়া থাকবে। আগে পরামর্শদাতাকে আলাদা ভাবে সমস্ত তথ্য জোগাড় করতে হতো। কিন্তু এখন সমস্ত তথ্য আগে থেকে দেওয়া থাকবে। প্যান কার্ডের সাহায্যে সমস্ত তথ্য এক জায়গাতে পাওয়া যাবে।

জরুরি তথ্য

জরুরি তথ্য

যদি আনার কোনও সেভিংস অ্যাকাউন্ট কিংবা কারেন্ট অ্যাকাউন্টে এক বছরের বেশি সময়ে যদি কোনও লেনদেন না হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট ওই অ্যাকাউন্টকে Inactive Bank Account হিসাবে ধরে নিয়ে টা বন্ধ কর দেওয়া হবে। যদি দুবছর কোনও অ্যাকাউন্টের কোনও আর্থিক লেনদেন না হয় তাহলে সেই অ্যাকাউন্ট Dormant Account কিংবা Inoperative-বদলে যাবে। আর সেই সময় অ্যাকাউন্টের সময় ফ্রড হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

নুন্যতম ব্যালেন্সেও পাওয়া যায় সুদ! তবে...

নুন্যতম ব্যালেন্সেও পাওয়া যায় সুদ! তবে...

যদি আপনি আপনার একের বেশি ব্যাঙ্ক শাখাতে অ্যাকাউন্ট রাখেন তাহলে মাসে এক হাজার টাকা খরচ হয়ে যাবে শুধুমাত্র মিনিমান ব্যাল্যান্স মেনটেন করতে গিয়ে। এতে গ্রাহকের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে এমন নয় যে নুন্যতম রাখা টাকাতে ইন্টারেস্ট দেওয়া হয় না! কিন্তু তা অনেকটাই কম হবে। খুব উপকারে আসবে না। যদি একটা জায়গাতে মোটা অঙ্কের একটা টাকার পরিমাণ রাখা হয় তাহলে মাসিক ৭ থেকে ৮ শতাংশ রিটার্ন পাওয়া যাবে। এতে গ্রাহকের উপকার হবে।

 লোন পেতে সমস্যা হবে

লোন পেতে সমস্যা হবে

বেসরকারি ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে নুন্যতম ব্যালেন্স চার্জ অনেক বেশী হয়ে থাকে। যেমন HDFC Bank এর ক্ষেত্রে নুন্যতম টাকা রাখার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা। যদিও শহরতলিতে এই ব্যাঙ্কে অন্তত ৫০০০ টাকা রাখতেই হবে। যদি আপনি নুন্যতম ব্যালেন্স টাকা রাখেন তাহলে এক ধাক্কায় ৭৫০ টাকা পেনাল্টি হিসাবে কেটে নেওয়া হবে। অন্যান্য প্রাইভেট ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রেও পেনাল্টি চার্জ অনেক বেশি। শুধু তাই নয়, অনেক সময়ে যদি পেনাল্টি চার্জের টাকা না মেটানো হয় তাহলে প্রত্যেক মাসে এর উপর আলাদা করে চার্জ কাটতে থাকবে। শেষমেশ একটা বিশাল অঙ্কের টাকা কাটতে থাকে।এতে আপনার সিভিল স্কোরে সমস্যা হতে পারে। আজকের পরিস্থিতিতে CIBIL Score গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। এর মাধ্যমে লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক রকম সমস্যা হতে পারে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+