করুণানিধির প্রয়াণের পরই আড়াআড়ি ভাগ ডিএমকে, বিরোধ তুঙ্গে দুই ভাইয়ের
ডিএমকে নেতা করুণানিধির প্রয়াণের পর এক সপ্তাহও হয়নি। তার মধ্যেই দুই ভাই এমকে স্তালিন ও এমকে আলাগিরির দ্বন্দ্বে আড়াআড়ি ভাগ ডিএমকে শিবির।
ডিএমকে নেতা করুণানিধির প্রয়াণের পর এক সপ্তাহও হয়নি। তার মধ্যেই দুই ভাই এমকে স্তালিন ও এমকে আলাগিরির দ্বন্দ্বে আড়াআড়ি ভাগ ডিএমকে শিবির। প্রকাশ্যে বিরোধ ঘোষণা করেছেন আলাগিরি। করুণানিধির মেমোরিয়ালে দাঁড়িয়ে আলাগিরি বলেছেন, ডিএমকে-র সব কর্মীদের সমর্থন তাঁর দিকে রয়েছে। দলের আসল নেতা-কর্মীরা তাঁকে সমর্থন করছেন বলেও দাবি করেছেন আলাগিরি।

আলাগিরির কথায়, ডিএমকে-র আসল সদস্য-সমর্থকেরা আমার দিকে রয়েছেন। সময় এলেই দেখব। যা হচ্ছে তা দেখে আমি মর্মাহত।
ঘটনা হল, করুণানিধি আমৃত্যু দলের সভাপতি ছিলেন। তাঁর হয়ে দলের সমস্ত কাজ সামলাতেন স্তালিন। তিনি ছিলেন কার্যনির্বাহী সভাপতি। ফলে এখন কমিটি বৈঠক ডেকে স্তালিনের হাতে পুরোপুরি দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথা হয়েছে। মঙ্গলবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা। তবে সেটা আদতে শোকসভার মোড়কে ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে স্তালিনের দায়িত্ব নেওয়ার দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে।
সাধারণ সভার দিন জেনারেল কাউন্সিল বৈঠকের দিন ঠিক হবে। সেদিনই স্তালিনকে দলের সর্বোচ্চ পদে বেছে নেওয়া হবে। ১৯৬৯ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা সিএন আন্নাদুরাই প্রয়াত হওয়ার পরও এভাবেই দলের নেতা বাছা হয়েছিল।
২০১৪ সালে দলবিরোধী কাজের জন্য নিজের পুত্র আলাগিরিকে দল থেকে বহিঃষ্কার করেন করুণানিধি। সঙ্গে সঙ্গে স্তালিনই যে তাঁর উত্তরসুরী হতে চলেছেন সেটাও ঘোষণা করেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে করুণানিধির নির্দেশে স্তালিন দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি হন।
দল থেকে বাদ যাওয়ার পরে করুণানিধি বেঁচে থাকতে আলাগিরি বিশেষ গোল বাঁধাননি। তবে এখন নতুন করে রাজনীতির লাইমলাইটে আসতে বিদ্রোহ ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications