রাহুলই হবেন প্রধানমন্ত্রী! মোদী এলে ৫০ বছর পিছবে দেশ, পরিবর্তনের ডাক স্ট্যালিনের
তিন রাজ্য থেকে বিজেপির সরকার উৎখাত করার পর ২০১৯-এর যুদ্ধের আগে হঠাৎ করেই রাহুল গান্ধীর গুরুত্ব বেড়ে গিয়েছে বিরোধী দলগুলির কাছে।
তিন রাজ্য থেকে বিজেপির সরকার উৎখাত করার পর ২০১৯-এর যুদ্ধের আগে হঠাৎ করেই রাহুল গান্ধীর গুরুত্ব বেড়ে গিয়েছে বিরোধী দলগুলির কাছে। রবিবার তামিলনাড়ুতে করুণানিধির মুর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠান ঘিরে আবার বিরোধী ঐক্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। আর এই অনুষ্ঠান থেকেই সুর উঠে গেল ২০১৯-এ দেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন রাহুল গান্ধী।
|
রাহুলই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী
এদিনের মঞ্চ থেকে ডিএমকে সভাপতি এমকে স্ট্যালিন আওয়াজ তোলেন রাহুলের পক্ষে। তিনি বলেন ২০১৯-এ নতুন প্রধানমন্ত্রী আসছে দেশে। দিল্লির ক্ষমতা বদল ঘটতে চলেছে। আমরা তামিলনাড়ুর থেকে রাহুল গান্ধীর নাম প্রস্তাব করছি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। রাহুলই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
|
ফ্যাসিস্ট মোদীকে হারাবেন রাহুল
করুনানিধি-পুত্র আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ফ্যাসিস্ট মোদী সরকারকে উৎখাত করতে পারবেন একমাত্র রাহুল গান্ধীই। তাঁকে আমরা সমর্থ করছি। তাঁর পক্ষ নিয়েই আমরা এক হয়ে লড়ব। বিরোধীরা সবাই মোদীকে শাসন ক্ষমতা থেকে হটাতে এককাট্টা। সেদিন আর বেশি দূরে নয়।
|
করুণানিধির আদর্শ মেনে ঐক্য
শুধু তিনিই নন, সোনিয়া গান্ধীও বলেন, ২০১৯-এরপ লক্ষ্যে বিরোধীরা এককাট্টা হচ্ছে। করুণানিধিজির সময় থেকেই আমাদের মধ্যে সখ্যতা ছিল। তাঁর পরামর্শ মেনে আমাদের একে অপরের সাহায্যে আমরা শক্তিশালী হয়েছি। এমরা একসঙ্গে রাজনৈতিক জোট গড়ে নির্বাচন লড়েছি। তাঁর আদর্শ মেনে আগামী দিনেও দেশের স্বার্থে আমরা এক হয়ে লড়ব।
|
মোদী এলে ৫০ বছর পিছিয়ে যাবে দেশ
স্ট্যালিন এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চাঁছাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদীর পাঁচ বছরে দেশে ১৫ বছর পিছিয়ে গিয়েছে। আমরা যদি তাঁকে ফের সুয়োগ দিই, নিশ্চিতভাবেই দেশ ৫০ বছর পিছিয়ে যাবে। তিনি বলেন, মোদী একজন রাজার মতো আচরণ করেন। তাই আমরা সবাই একত্র হয়েছি, দেশের গণতন্ত্রের শাসন ফিরিয়ে আনতে এবং দেশকে রক্ষা করতে।
|
করুণানিধির মূর্তি উন্মোচনে বিরোধী ঐক্য
এদিন করুণানিধির মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠান আক্ষরিক অর্থেই বিরোধী জোটের মঞ্চের রূপ নেয়। এই মঞ্চে ছিলেন, ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন প্রমুখ। ডিএমকে সভাপতি তাঁদের হাতে স্মারক তুলে দেন।
|
দেশের কণ্ঠকে এক করতে হবে বিজেপির বিরুদ্ধে
কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার তামিলনাড়ু-সহ আমাদের পুরো দেশের কণ্ঠ হরণ করে নিতে চাইছে, দেশের সংস্কৃতি, দেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে আক্রমণের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সেইসব রক্ষা করতে হবে আমাদের। সেটাই হবে করুণানিধির প্রতি আমাদের সত্যিকারের শ্রদ্ধা। তাই সমস্ত কণ্ঠকে বিজেপির বিরুদ্ধে এক করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications