দীপার বিএমডব্লিউ যাতে চলতে পারে সেজন্য তড়িঘড়ি মেরামত হচ্ছে আগরতলার রাস্তা!
দীপার বিএমডব্লিউ যাতে চলতে পারে সেজন্য রাস্তা মেরামতে সরকারের তরফে ৭৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। এবং যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শেষ করার নির্দেশ রয়েছে।
আগরতলা, ২১ অক্টোবর : শুধু একটা বিএমডব্লিউ গাড়ি যাতে চলতে পারে সেজন্য একেবারে সরকারি উদ্যোগে অলিম্পিয়ান জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকারের আগরতলার বাড়ি সামনের রাস্তাঘাট তড়িঘড়ি মেরামতিতে লেগে পড়েছে ত্রিপুরার সরকার।
রিও অলিম্পিকে একটুর জন্য পদক হাতছাড়া হলেও দীপার কৃতিত্বকে সারা দেশ কুর্ণিশ জানিয়েছে। হায়দ্রাবাদ জেলা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন তেন্ডুলকরের হাত দিয়ে সাক্ষী মালিক, পিভি সিন্ধুদের পাশাপাশি দীপা কর্মকারের হাতেও বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ-এর চাবি তুলে দেন।

তবে কয়েকদিন আগে দীপা ও তাঁর কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী জানান তাঁরা গাড়িটি ফেরত দিতে চান। কারণ এত বিলাসবহুল গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ যেমন কঠিন কাজ, তেমনই ত্রিপুরার রাস্তায় এই গাড়ি চালানোর মতো পরিসর নেই। এছাড়া গাড়িতে কোনও সমস্যা হলে তা সারানোর মতো সার্ভিস সেন্টারও ত্রিপুরায় নেই।
এই ঘটনা সামনে আসার পরই কার্যত মুখে পোড়ে ত্রিপুরার বাম সরকারের। দীর্ঘ কয়েকদশক শাসনের পরও কেন রাস্তায় একটি গাড়ি চলার মতো সামান্য পরিষেবা সরকার দিতে পারে না, তা নিয়ে অনেকে সরব হন। এই ঘটনায় সরকারের অপদার্থতাই সামনে এসেছে বলে সমালোচনা শুরু হয়।
আর এরপরই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে আগরতলার পুরসভার মেয়র প্রফুল্লজিৎ সিনহা। দীপার বাড়ি অভয়নগরের রাস্তা যেটি আগরতলা গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে উঠেছে, সেই রাস্তার সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। যাতে দীপার বিএমডব্লিউ বাড়ির গ্যারাজ থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামতে কোনও অসুবিধা না হয়।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রাস্তা মেরামতের জন্য সরকারের তরফে ৭৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। এবং যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শেষ করার নির্দেশ রয়েছে।
তবে এসব শুনে কী বলছেন দীপা। জানাচ্ছেন, আমরা কখনও শুধু রাস্তার সমস্যার কথা বলিনি। রাস্তা সরুর পাশাপাশি তার অবস্থাও শোচনীয়। তবে গাড়ির সার্ভিসিং করা এবং রক্ষণাবেক্ষণও অন্যতম বড় ইস্যু। সেজন্যই গাড়িটি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে দিয়েছি।












Click it and Unblock the Notifications