কংগ্রেস ও বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহার, কিছু পার্থক্য
কংগ্রেসের পর লোকসভা নির্বাচনের আগে তাদের ইস্তেহার বা আগামী পাঁচ বছরের সংকল্প পত্র প্রকাশ করেছে বিজেপি।
কংগ্রেসের পর লোকসভা নির্বাচনের আগে তাদের ইস্তেহার বা আগামী পাঁচ বছরের সংকল্প পত্র প্রকাশ করেছে বিজেপি। গত বুধবার কংগ্রেসের প্রকাশ করা নির্বাচনী ইস্তেহারে কৃষক স্বার্থ, দারিদ্র দূরীকরণ, চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি এবং কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহার বা সংকল্প পত্রেও ভিন্ন পথে ওই সব ক্ষেত্রগুলিতেই বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়েছে ।
এক ঝলকে কংগ্রেস ও বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারের পার্থক্য :

কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা
কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে কৃষকদের জন্য পৃথক বাজেট তৈরির কথা ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ৬০ বছরের পর পেনশন এবং ২০২০ সালের মধ্যে কৃষকদের রোজগার দ্বিগুন করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

কাশ্মীর ও আফসপা
ক্ষমতায় এলে কাশ্মীরে লাগু থাকা আর্মাড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফসপা পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি আলোচনার মাধ্যমে সেখানে শান্তি স্থাপনের প্রক্রিয়া চালানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে, বিজেপিও তাদের ইস্তেহারে কাশ্মীর থেকে ৩৫০ ও ৩৫এ আর্টকেল তুলে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

ন্যায় ও বিপিএল
নির্বাচনী ইস্তেহারে, ন্যূনতম রোজগার নিশ্চয়তা প্রকল্প 'ন্যায়'র মাধ্যমে ২০৩০-র মধ্যে দেশ থেকে পুরোপুরি দারিদ্র দূরীকরণের আশ্বাস দিয়েছে কংগ্রেস। সেখানে বিজেপির সংকল্প পত্রে, দেশের বিপিএল তালিকাভূক্তদের সংখ্যা একক অঙ্কে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

কর্মসংস্থান
ক্ষমতায় এলে ২০২০ সালের মধ্যে দেশে ২২ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরির কথা জানিয়েছে কংগ্রেস। একই ভাবে, ফের ক্ষমতায় এলে দেশের ২২টি প্রধান চ্যাম্পিয়ন সেক্টরে প্রচুর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি।
কোন দলের ইস্তেহারকে গ্রহণ করলেন দেশের মানুষ, আগামী ২৩ মে-তেই তা প্রমাণ হবে।












Click it and Unblock the Notifications