হিমাচলপ্রদেশে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার, ‘ধুমাল ফ্যাক্টরে’ সতর্ক কংগ্রেস থেকে বিজেপি

হিমাচলপ্রদেশে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার, ‘ধুমাল ফ্যাক্টরে’ সতর্ক কংগ্রেস থেকে বিজেপি

২০১৭ সালে হিমাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ছিলেন প্রেম কুমার ধুমাল। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন পেলেও প্রেম কুমার ধুমাল হেরে যান। হিমাচলপ্রদেশের দুই-তিন জন বিধায়ক প্রেম কুমার ধুমালের জন্য পদত্যাগ করতে রাজি হয়েছিলেন। যাতে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রেম কুমার ধুমাল মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু বিজেপি রাজি হয়নি। জয়রাম ঠাকুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ধুমালকে নিয়ে বর্তমানে রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর যখন আবেগী হয়ে উঠছেন, সেই সময় সুখবিন্দর সিং সুখু বিজেপিকে 'দুমুখো' নীতি অনুসরণ করে বলে অভিযোগ।

অনুরাগ ঠাকুরের বার্তা

অনুরাগ ঠাকুরের বার্তা

ধুমালের ছেলে তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ২১ অক্টোবর একটি জনসভায় আবেগঘন বার্তা দেন। তিনি ২০১৭ সালের নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেন। যেখানে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ধুমাল পরাজিত হয়েছিলেন। বাবা সম্পর্কে বলে গিয়ে আবেগী হয়ে পড়েন অনুরাগ ঠাকুর। ধরা গলায় বলেন, ধুমাল চার বার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। দুবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তারপরেও ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি হেরে যান। কিন্তু হেরে যাওয়ার পর তিনি ঘরে বসে থাকেননি। তিনি একজন সাধারণ বিজেপির কর্মী হয়ে কাজ করে গিয়েছেন।

সুখবিন্দর সিং সুখু পাল্টা বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, গেরুয়া শিবির নিজেই নিজের নীতি মানে না। ধুমাল বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারেননি বলে, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হতে দেয়নি বিজেপি। অথচ, দুই তিনজন বিধায়ক নিজেদের আসন ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন ধুমালকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য তারপরেও বিজেপি ধুমালকে মুখ্যমন্ত্রী করেননি। কিন্তু উত্তরাখণ্ডে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরেও ধামিকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিল বিজেপি। আসলে গেরুয়া শিবির কোনও নীতি মানে না বলে অভিযোগ করেন সুখু রাম।

হিমাচলের রাজনীতিতে ধুমালের অবস্থান

হিমাচলের রাজনীতিতে ধুমালের অবস্থান

৯ নভেম্বর হিমাচল প্রদেশে এক দফায় ভোট রয়েছে। সেই ভোটে কংগ্রেস ও বিজেপি ধুমালকে নিয়ে যেমন সতর্ক, তেমনি ধুমালকে নিয়ে রাজনীতি করতে শুরু করেছিলেন। প্রেম কুমার ধুমালের সব থেকে বড় সাফল্য ছিল ১৯৯৮ সালে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী সুখু রামের সহায়তায় মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। সুখু রাম কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। কংগ্রেস ছেড়ে তিনি হিমাচল বিকাশ কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন। ১৯৯৯ সালের নিবাচনে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন।

হিমাচলে গেরুয়া শিবিরে তীব্র অসন্তোষ

হিমাচলে গেরুয়া শিবিরে তীব্র অসন্তোষ

বিধানসভার টিকিট বিতরণ নিয়ে হিমাচল প্রদেশের গেরুয়া শিবিরের অসন্তোষের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে। আগের বারের একাধিক বিধায়ককে এবারের নির্বাচনে টিকিট দেওয়া হয়নি। এর জেরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারমধ্যেই ধুমালকে নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরে চাপা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রেম কুমার ধুমাল যদিও বলছেন, তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়াননি। কিন্তু বিজেপির অভ্যন্তরে অনেকেই মনে করছেন তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সেই সম্ভাবনা কম। সম্প্রতি জেপি নাড্ডা হিমাচল প্রদেশে এসে ধুমালের সঙ্গে দেখা করেছেন। অন্যদিকে, অনুরাগ ঠাকুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, অরুণ ধুমাল সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেক্রেটারি হয়েছেন। তাই ধুমালের নিজে থেকে সরাসরি রাজনীতি থেকে সরে আসার সম্ভাবনা বেশি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+