এক বছর তিন মাসের লড়াইয়ে জয়ী কৃষকরা, বিল আনা থেকে প্রত্যাহারের তথ্য রইল পাঠকদের জন্য
এক বছর তিন মাসের লড়াইয়ে জয়ী কৃষকরা, বিল আনা থেকে প্রত্যাহারের তথ্য রইল পাঠকদের জন্য
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে একাধিক নতুন বিল নিয়ে এসেছে মোদী সরকার৷ তবে ২০২০-র সেপ্টেম্বরে মোদী সরকারের নিয়ে আসা তিনটি কৃষি বিল নিয়ে যে বিরোধিতা তৈরি হয়েছিল তা বোধহয় আর কোনও বিলকে ঘিরে হয়নি৷ তবে শেষ পর্যন্ত কৃষকদের লড়াইয়ের কাছে মাথা নত করল মোদী সরকার৷ গুরু নানকের জন্মদিনেই মোদী সরকারের পক্ষ থেকে এল বড় ঘোষণা৷ প্রত্যাহার করে নেওয়া হল কৃষি বিল৷ সারা দেশে প্রায় উৎসবের মুডে পালন শুরু হয়েছে এই দিনটির৷ ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলার পাঠকদের জন্য রইল বিল নিয়ে আসা থেকে প্রত্যাহার পর্যন্ত খুঁটিনাটি তথ্য এই প্রতিবেদনে।

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ : সংসদে অর্ডিন্যান্স পেশ
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০: লোকসভায় অর্ডিন্যান্স পাশ
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০: শব্দভোটে রাজ্যসভায় পাশ অর্ডিন্যান্স
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০: তিনদিনের রেল রোকো আন্দোলনে নামলেন পঞ্জাবের কৃষকরা
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০: অল ইন্ডিয়া কিষাণ সংঘর্ষ কো-অর্ডিনেশন কমিটির ডাকে রাস্তায় নামলেন গোটাদেশের কৃষকরা।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০: কৃষি বিলে সম্মতি রাষ্ট্রপতির। কৃষি আইনে পরিণত হল তিনটি বিল।
২৫ নভেম্বর, ২০২০: ৩ নভেম্বর দেশব্যাপী পথ অবরোধের পর পঞ্জাব এবং হরিয়ানার কৃষক সংগঠনগুলি 'দিল্লি চলো'র ডাক দিল। কোভিডের কারণে সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সায় দেয়নি পুলিশ।
২৬ নভেম্বর, ২০২০: হরিয়ানার আম্বালাতেই প্রশাসনের রোষে কৃষকরা। ছোঁড়া হল টিয়ার গ্যাস, জলকামান।
২৮ নভেম্বর, ২০২০: দিল্লি বর্ডার ত্যাগ করে বুরারিতে গিয়ে আন্দোলন করুন কৃষকরা। তবেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন। কৃষকরা অনড় থাকলেন তাঁদের নিজেদের অবস্থান থেকে। দাবি করলেন যন্তর মন্তরে আন্দোলনের।
২৯ নভেম্বর, ২০২০ : 'সমস্ত রাজনৈতিক দলই কৃষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সমস্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে বিজেপি', মন কি বাত অনুষ্ঠানে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
৩ ডিসেম্বর, ২০২০: কৃষক ও সরকারের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক সম্পন্ন হল। তবে সমাধানসূত্র পাওয়া যায়নি।
৫ ডিসেম্বর, ২০২০: সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসলেন কৃষকরা। তবে সমাধানসূত্র এখনও অধরা৷
৮ ডিসেম্বর, ২০২০: ভারত বনধের ডাক দিলেন কৃষকরা।
৯ ডিসেম্বর, ২০২০: আইনে সংশোধন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কৃষকরা তবু নিজেদের জায়গায় অনড়, বাতিলই করতে হবে তিনটি আইন।
১১ ডিসেম্বর, ২০২০: দেশের সর্বোচ্চ আদালতে তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আবেদন ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের৷
১৩ ডিসেম্বর, ২০২০: কৃষি আন্দোলনে টুকড়ে টুকড়ে গ্যাংয়ের হাত আছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ।
১৬ ডিসেম্বর, ২০২০: সুপ্রিম কোর্ট জানাল, শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধানে সরকারের প্রতিনিধি এবং কৃষকদের প্রতিনিধিদের চয়ন করা হবে৷
২১ ডিসেম্বর, ২০২০: দেশব্যপী একদিনের ভুখ হরতালের ডাক কৃষকদের।
৩০ ডিসেম্বর, ২০২০: কেন্দ্র ও কৃষকদের মধ্যে ষষ্ঠ দফার বৈঠক। কেন্দ্রের আধিকারিকরা কৃষকদের ওপর থেকে শস্য পোড়ানোর জন্য জরিমানা তুলে নেওয়ায় সায় দিলেন।
৪ জানুয়ারি, ২০২১: কেন্দ্র ও কৃষকদের মধ্যে সপ্তম দফার বৈঠক। তবে এক্ষেত্রেও সমাধান মেলেনি।
১২ জানুয়ারি, ২০২১: তিনটি কৃষি আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্তে অনড় থাকল সুপ্রিম কোর্ট৷
২৬ জানুয়ারি, ২০২১: প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ট্রাক্টর প্যারেডে বিপুল সংখ্যক পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ কৃষকদের৷ সিঙ্ঘু বর্ডার এবং গাজিপুরে পুলিশি বাধা পেয়ে ট্রাক্টর প্যারেডের দিক পরিবর্তন করেন কৃষকরা। লালকেল্লায় ওড়ে কৃষকদের নিজস্ব পতাকা।
২৮ জানুয়ারি, ২০২১: উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর বর্ডার থেকে কৃষকদের চলে যাওয়ার নির্দেশ যোগী সরকারের।
৩ অক্টোবর : লখিমপুর খেরির ঘটনা, মৃত চার কৃষক ও দুই বিজেপি কর্মী৷ অভিযোগের আঙুল বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলের দিকে।
১৯ নভেম্বর: কৃষি বিল প্রত্যাহার মোদী সরকারের।












Click it and Unblock the Notifications