কেন্দ্রের অর্ডিন্যান্স নিয়ে ডেরেক-প্রহ্লাদ জোশী টুইট যুদ্ধ
কেন্দ্রের অর্ডিন্যান্স নিয়ে ডেরেক-প্রহ্লাদ জোশী টুইট যুদ্ধ
এবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন কেন্দ্রের সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এবং তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। কেন্দ্রীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের ব্যবহার করে সংসদকে অপমান করছেন বলে অভিযোগ করেন ডেরেক। এরপরেই শুরু হয় এই বিতর্ক৷

শুরুটা করেছিলেন ডেরেকই। তিনিই প্রথমে সিবিআই এবং ইডির প্রধান আধিকারিকের মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। এরপরই তাঁকে প্রত্যুত্তর দেন কেন্দ্রের সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। পালটা দিতে ছাড়েননি ডেরেকও। শুরুতে কেন্দ্রের সমালোচনা করার পাশাপাশি একটি গ্রাফিক্সও পোস্ট করেছিলেন ডেরেক। সেটিতে দেখানো হয়েছিল, সপ্তাদশতম লোকসভায় প্রতি ১০টি বিলপিছু চারটি করে অর্ডিন্যান্স আনছে কেন্দ্র। ২০১৪ থেকে অর্ডিন্যান্সের ভুল প্রয়োগ করা হচ্ছে৷
এরই প্রত্যুত্তর দেন জোশী। তুলে ধরেন পূর্বতন কংগ্রেস সরকারের কথা। কীভাবে কংগ্রেস সরকার মোট ৫২৪টি অর্ডিন্যান্স পেশ করেছিল। এর মধ্যে পঞ্চম লোকসভাতেই ৯৬টি অর্ডিন্যান্স পেশ হয়েছিল। ডেরেককে খোঁচা দিয়ে প্রহ্লাদ লেখেন, 'গণতন্ত্রের অভিন্ন অঙ্গ এই অর্ডিন্যান্স। তৃণমূলের কাছ থেকে এসব বোঝার কেউ আশাও করে না। কারণ আমরা দেখেছি, পশ্চিমবঙ্গে ঠিক কতটা গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে৷ আমরা দেখেছি মহামান্য হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা অধিবেশন সংক্রান্ত কী নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং তা কীভাবে মানা হয়েছে। তবে এখনও দেরি হয়নি। ডেরেক ও ব্রায়েনের মেনে নেওয়া উচিত তাঁর দল তৃণমূল সমর্থিত কংগ্রেসই সবচেয়ে অগণতান্ত্রিক দল। ওঁকে কি মনে করিয়ে দিতে হবে যে এই কংগ্রেসই মোট ৯৩ বার ৩৫৬ ধারা ব্যবহার করে রাজ্যের শাসনক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল।'
প্রহ্লাদের কথায় অবশ্য বিন্দুমাত্র কান দেননি ডেরেক। তিনি ফের ট্যুইট করে লেখেন, 'মিস্টার মোদী এবং মিস্টার শাহ। আমি স্রেফ গ্রাফিক্সটি পোস্ট করে দেখিয়েছি যে কীভাবে অর্ডিন্যান্সের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে৷ এসবে আপনার মন্ত্রিসভার কিছু ছেলের আওয়াজ শুনতে পারছি। সমস্যা নেই, আমি আমার প্রকাশিত তথ্যে অনড়। আপনি দয়া করে আপনার ছেলেদের বলুন আবার চেষ্টা করতে৷'












Click it and Unblock the Notifications