একদশকের মধ্যে সব থেকে করুণ পরিণতি ইঞ্জিনিয়ারিং-এ, ৬৩ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পথে
দেশব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং (engineering) পড়ার চাহিদা কমছে। যার জেরে ২০২৫-১৬ সাল থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (educational institution) বন্ধের জন্য আবেদনের সংখ্যা বাড়ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার আরও করুণ পরিণতি।
দেশব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং (engineering) পড়ার চাহিদা কমছে। যার জেরে ২০২৫-১৬ সাল থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (educational institution) বন্ধের জন্য আবেদনের সংখ্যা বাড়ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার আরও করুণ পরিণতি। গত এক দশকের মধ্যে সব থেকে কম আসন এবারই হতে চলেছে সারা দেশে।

এআইসিটিই-র থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যাচ্ছেন সারা দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডিপ্লোমায় আসন এবছরে ২৩.২৮ লক্ষ। যা গত ১০ বছরে সর্বনিম্ন। এইবছর যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে, সেইসব প্রতিষ্ঠানে আসন সংখ্যা প্রায় ১.৪৬ লক্ষ।
আগ্রহ কমলেও সারা দেশে কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে এখনও ৮০ শতাংশ আসন রয়েছে এই ইঞ্জিনিয়ারিং-এ। ( যার মধ্যে রয়েছে আর্কিটেকচার, ম্যানেজমেন্ট, হোটেল ম্যানেজমেন্ট এবং ফার্মেসিও)।
শেষ ২০১৪-১৫ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ এআইসিটিই অনুমোদিত আসন সংখ্যা ছিল প্রায় ৩২ লক্ষ। তারপর থেকে অর্থাৎ প্রায় সাতবছর আগে থেকে চাহিদা কমতে থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে থাকে। তারপর থেকে প্রায় ৪০০ টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ২০১৫-১৬ সাল থেকেই প্রতিবছরের কমকরে ৫০ টি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে। এবার ৬৩ টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে এআইসিটিই।
তবে ২০২১-২২ সালে এআইসিটিই নতুন করে ৫৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে। এগুলির বেশিরভাগই পিছিয়ে পড়া জেলায় অবস্থিত বলে জানানো হয়েছে এআইসিটিই-র তরফে। এর আগে ২০১৭-১৮, ২০২৮-১৯ এবং ২০১৯-২০ সালে যথাক্রমে ১৪৩, ১৫৮ এূং ১৫৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে এআইসিটিই।
তবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পিছনে বেশ কিছু কারণও উঠে এসেছে। এর মধ্যে যেমন দুর্নীতি রয়েছে, ঠিক তেমনই পরিকাঠামোর অভাব, সঠিক ল্যাব না থাকা, শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ক্লাবসরুম না থাকা, উপযুক্ত শিক্ষক না থাকাও কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।












Click it and Unblock the Notifications