মনোনীত পুর সদস্যরা মেয়র নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না! কেজরি'কে স্বস্তি দিয়ে জানাল সুপ্রিম কোর্ট
পুর নির্বাচন হয়ে গিয়েছে কয়েক মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও মেয়র নির্বাচন হয়নি। আর এর মধ্যেই সে রাজ্যের রাজ্যপালের এক নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয় আইনি জটিলতা। অবশেষে তা কাটিয়ে বড় জয় আপের।
Delhi Mayor election: বড় স্বস্তি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। দিল্লি নগর নিগম মেয়র নির্বাচন নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। উপরাজ্যপালের মনোনীত পুর সদস্যরা দিল্লির মেয়র নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুধু তাই নয়, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এমসিডি'র প্রথম বৈঠক নিয়ে নোটিশ জারি করতে হবে বলেও এদিন জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

আর এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই গণতন্ত্রের জয় বলে উল্লেখ করেছে আম আদমি পার্টি।
দিল্লি নগর নিগমের গতবারের বৈঠক দীর্ঘ বিক্ষোভে ভেস্তে যায়। এর ফলে এখনও পর্যন্ত দিল্লির মানুষের তাঁদের নতুন মেয়র পাননি। ফলে দিনের পর দিন পরিষেবা পাচ্ছেন সে রাজ্যের মানুষ। একাধিক কাজ আটকে রয়েছে। ফলে দিনের পর দিন সমস্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় সুপ্রিম নির্দেশ যথেষ্ট গুরুত্বপূরণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মেয়র নির্বাচন এবং এমসিডির প্রথম সভার জন্য নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছে। এজন্যে ২৪ ঘন্টার চরম সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। শুধু মেয়র নয়, ডেপুটি মেয়র এবং অন্যান্য সদস্যদেরও যাতে দ্রুত নিয়োগ করা হয় সেই সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বর্তমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল। উল্লেখ্য, এবার দিল্লি পুর নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পায় কেজরিওয়ালের দল। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পুর নিগমের ক্ষমতায় থাকা বিজেপি এবার ভোটে কার্যত ছিটকে যায়। একের পর এক ওয়ার্ডে বিপুল ভোটে জয় পায় আম আদমি পার্টির প্রার্থীরা। বিজেপির কাছে এই হার রীতিমত প্রেস্টিজিয়াস। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় মেয়র নির্বাচনকে কেন্দ্র!
একতরফা ভাবে ১০ জন অল্ডারম্যান নিয়োগ করা হয়। আর তা করা হয় দিল্লি সরকারকে না জেনেই। শুধু তাই নয়, মেয়র নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়। আর এই সিদ্ধান্তকেই শীর্ষ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আপের মেয়র পদপ্রার্থী শেলি।
এরপর দীর্ঘ শুনানি হয় শীর্ষ আদালতে। আজ শুক্রবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। আর সেই দীর্ঘ শুনানিতে বড় ধাক্কা লাগে রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, মনোনীত সদস্যদের ভোটাধিকার থাকা উচিত নয়। আর এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই তা স্বাগত জানিয়েছে আম আদ মি পার্টি। এমনকি এই জয় গণতন্ত্রের জয় বলেও উল্লেখ করেছে।
যদিও এই রায় নিয়ে বিজেপি এখনও কিছু বলেনি।












Click it and Unblock the Notifications