দিল্লির আবগারি মামলায় গ্রেফতার কেসিআরের মেয়ের প্রাক্তন নিরীক্ষক, নজর দক্ষিণী গ্রুপে
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর আর্থিক দুর্নীতির এই তদন্তে নেমে জানতে পারে কে কবিতাও দক্ষিণ গ্রুপের অংশ ছিলেন।
দিল্লির 'লিকার পলিসি' মামলায় গ্রেফতার করা হল কেসিআরের মেয়ের প্রাক্তন নিরীক্ষককে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর ও সিবিআই দাবি করেছে এই মামলায় 'দক্ষিণী গ্রুপ' নামে একটি লবির যোগসাজোশ রয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তার ভিত্তিতেই এই গ্রেফতার বলে জানানো হয়েছে।
দিল্লির আবগারি নীতি সংশোধন করার সময় ওই দক্ষিণী লবি বেশ কিছুব অনিয়ম করেছিল। তেলেঙ্গানারা চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এই নীতি সংশোধনের কাজে জড়িয়ে ছিলেন। সেই মর্মে তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই। তাঁর কথায় কিছু অসংগতি মেলায় সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করে।

উল্লেখ্য, তেলেঙ্গানারা চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বুচি বাবু এর আগে মুখ্যমন্ত্রী কেসিআরের মেয়ে কে কবিতার অডিটরের কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁকে দিল্লিতে তলব করা হয়। দিল্লির মদ নীতি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই ও ইডি। কে কবিতার এই প্রাক্তন অডিটর সাউথ গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
সিবিআই সূত্রে খবর, তাঁকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকে গ্রেফতারের কারণ তিনি তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইছিলেন না। তিনি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। সিবিআই অভিযোগ করেছে, বর্তমানে বাতিল করা দিল্লি আবগারি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বুচি বাবুর ভূমিকায় হায়দরাবাদের পাইকারি ও খুচরো লাইসেন্সধারীরা সুবিধা পেয়েছিল। এবং বেআইনিভাবে লাভ করতে সমর্থ হয়েছিল।
এর আগে ১২ ডিসেম্বর হায়দরাবাদে এসে সিবিআইয়ের একটি দল কে কবিতাকে সাত ঘণ্টারও বেশি সময় জিজ্ঞাসাবাদ করে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর আর্থিক দুর্নীতির এই তদন্তে নেমে জানতে পারে কে কবিতাও দক্ষিণ গ্রুপের অংশ ছিলেন। এবং আবগারি নীতি মামলায় কিকব্যাক থেকে উপকৃত হয়েছিলেন।
কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারর প্রতিনিধি দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরে আপ সরকার গত বছর আবগানি নীতি প্রত্যাহার করেছিল। এই গোষ্ঠীতে তেলেঙ্গানার ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতির কে কবিতা, অন্ধ্র্প্রদেশের ক্ষমতাসীন ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সাংসদ মাঘুন্ত শ্রীনিভাসালু রেড্ডি ও অরবিন্দফার্মার শরথ রেড্ডি রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই আবগারি নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে লাইসেন্স ফি মকুব করা হয়েছিল বা অনেক ক্ষেত্রে হ্রাস করা হয়েছিল। লাইসেন্সধারীদের অথযা একাধিক সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল। তাতেই প্রশ্ন ওঠে কোন স্বার্থে এই সুবিধাগুলি প্রদান করা হয়েছে। এই আবগারি নীতি প্রণয়নে মণীশ সিসোদিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়। তাঁকেও এই মামলায় ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications