চরম ঠাণ্ডায় কাবু হচ্ছেন দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশবাসী, জনজীবন কঠিন করে তুলছে হাড়-ঠাণ্ডা শীতল প্রবাহ

চরম ঠাণ্ডায় কাবু হচ্ছেন দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশবাসী, জনজীবন কঠিন করে তুলছে হাড়-ঠাণ্ডা শীতল প্রবাহ

একদিকে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আবার সেই সঙ্গে বাড়ছে ঠাণ্ডাও। আর এই দুয়ের প্রভাবে নাজেহাল দিল্লিবাসী থেকে উত্তরভারতবাসী। এই চরম ঠাণ্ডায় দিন আনা দিন খাওয়া লোকেরা অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আটো-রিকশা চালক থেকে চাকুরিজীবিদের বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

নাইট কার্ফু তাই যাত্রী নেই

নাইট কার্ফু তাই যাত্রী নেই

লোকেরা দল বেঁধে কাঠ দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে তাপ নিচ্ছেন শরীর গরম করার জন্য।নয়াদিল্লির রাম লীলা গ্রাউন্ড এলাকার একজন অটো-চালক বলেছেন, "বেশি কাজ নেই, তাই আমরা জ্বলন্ত আগুনের চারপাশে বসে আছি। আমরা সকালে কাজের জন্য বের হই। আবার চলছে নাইট কার্ফু। তাই আমাদের কোনো যাত্রী নেই। কুয়াশা তেমন নেই তবে শৈত্যপ্রবাহ রয়েছে।"

আইএমডি বিভাগ কী জানাচ্ছেন

আইএমডি বিভাগ কী জানাচ্ছেন

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) অনুসারে, রবিবার পূর্ব উত্তর প্রদেশে কয়েকটি জায়গায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় রাজধানীর মুনিরকা এলাকার একজন প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, "শীত চরমে পৌঁছেছে। আমরা কেবল আগুনের সামনে নিজেদের উষ্ণ করছি। এটাই আমাদের একমাত্র দরকার।" "আমরা দরিদ্র, আমাদের পর্যাপ্ত শীতের কাপড় নেই। আমরা পরিচ্ছন্নতা কর্মী, কাপড় কেনার মতো এত টাকা নেই। আমরা শুধু ফায়ারপ্লেসের সামনে বসে থাকি। আমরা আমাদের জীবিকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করি। শ্রমিকরা সবাই একসাথে বসে। এবং আগুনের সামনে উষ্ণ হই।''

অটোচালক কী বললেন

অটোচালক কী বললেন

অপর এক অটোচালক গণমাধ্যমকে বলেন, শীতের তীব্রতা এমন যে হাত-পা জমে গেছে। তিনি বলেন, "প্রচণ্ড শীতের কারণে আঙুল শক্ত হয়ে যাচ্ছে। শীতের কারণে হাত-পা জমে গেছে বলে মনে হচ্ছে।"

চা বিক্রেতার মতে,

চা বিক্রেতার মতে,

এক চা বিক্রেতা বলেন, "শীত এখন প্রচণ্ড, তবে রোজগার করতে হলে এই শীতে আমাকেই সহ্য করতে হবে। দোকানে লোকজন আসে, কিন্তু রাতের কারফিউ থাকায় সংখ্যায় কম। "উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদের লোকেরা এই ঠান্ডা শীতে আলাদা কিছু অনুভব করে না।

 ট্রাক চালক কী বললেন

ট্রাক চালক কী বললেন

শহরের এক ট্রাক চালক বলেন, "এখানে বেশ ঠান্ডা। গাড়ি চালানোর সময়ও ঠান্ডা লাগে। ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি চালাতে সমস্যায় পড়তে হয়। ট্রাক চালাতে হয় খুব ধীর গতিতে।

কানপুরবাসী কী জানালেন

কানপুরবাসী কী জানালেন

"কানপুরের বাসিন্দারা বলেছেন, "এখাণে বেশ ঠান্ডা। আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ঘন কুয়াশা আছে। আমরা রাস্তার ধারের আবর্জনা জ্বালিয়ে আগুনের চারপাশে বসে থাকি নিজেদের গরম করার জন্য।"

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+