অসম চুক্তির বাস্তবায়নে তৈরি উচ্চ স্তরীয় কমিটির রিপোর্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি
অসম চুক্তির বাস্তবায়নে তৈরি উচ্চ স্তরীয় কমিটির রিপোর্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি
অসম চুক্তির ৬ নম্বর দফার বাস্তবায়ন নিয়ে ধন্দ দিল্লিতে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিশদ পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্র নিযুক্ত উচ্চ-স্তরীয় কমিটির চূড়ান্ত রিপোর্টও তৈরি হয়েছে। ওই চূড়ান্ত রিপোর্টে তৈরির ১০ দিন পরে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অবশেষে সবুজ সংকেতও মেলে সরকারের তরফ থেকে। ঘটনাক্রমে এই প্রতিবেদনটি রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও শোনা হচ্ছে।

সূত্র বলেছে, এই প্রতিবেদন নিয়েই ধন্দ তৈরি হয়েছে কারণ কেন্দ্রীয় কমিটি "অসমিয়া" জনগণকে সংজ্ঞায়িত করার জন্য ১৯৫১ সালের কাট-অফ তারিখের সুপারিশ করেছিল। একই সাথে রাজ্যের জন্য ইনার লাইন পারমিট শাসনের পরামর্শ দিয়েছে। “অসমীয়া” সংজ্ঞার ভিত্তিতে কমিটি রাজ্য বিধানসভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারী চাকরীর জন্য আলাদা কোটার সুপারিশ করেছিল বলে জানা গেছে ।
সূত্রের খবর, বর্তমানে দিসপুরে রাজ্য সরকারের আসাম অ্যাকর্ড বিভাগে এই প্রতিবেদনটি সুরক্ষিত অবস্থায় রাখা রয়েছে। এদিকে ১৯৮৫ সালে কেন্দ্র, অসম সরকার, আসু ও এএজিএসপি-র মধ্যে অসম চুক্তি সাক্ষরিত হয়। কেন্দ্রে তখন ছিল রাজীব গান্ধীর সরকার। এই মোতাবেক বিদেশিদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছিল। প্রথমত, যাঁরা ১.১.১৯৬৬ সালের আগে অসমে এসেছিল। দ্বিতীয়ত, যাঁরা ১.১.১৯৬৬ থেকে ২৪.৩.১৯৭১ সালের আগে অসমে এসেছে। তৃতীয়ত, যাঁরা ২৫.৩.১৯৭১ সালের পরে অসমে প্রবেশ করেছে। সূত্রের খবর, নাগরিকত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রে এই তিন শ্রণি বিভাজন চলছে দ্বন্দ্ব।












Click it and Unblock the Notifications