এমসিডির স্থায়ী কমিটির নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের, নজর ২৭শে
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়রের অফিসে নোটিশ জারি করে হাইকোর্ট জানিয়েছে ব্যালট পেপার ও সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে।
দিল্লি এমসিডির স্থায়ী কমিটির নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়রের অফিসে নোটিশ জারি করে এই নির্দেশ দিয়েছে।
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়রের অফিসে নোটিশ জারি করে হাইকোর্ট জানিয়েছে ব্যালট পেপার ও সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। নির্বাচনের ফল ঘোষণা না করেই নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দিল্লি পুর নিগম নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।

বিজেপির কাউন্সিলর শিখা রায় ও কমলজিৎ সেহরাওয়াত দিল্লির মেয়র শেলি ওবেরয়ের একটি ভোট অবৈধ ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্ট তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এই মামলার শুনানিতে আইনজীবী আদালতে জিজ্ঞাসা করেন নিয়ম অনুসারে মেয়রের পুনরায় নির্বাচনের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা আছে কি না।
বিজেপিক পক্ষে আইনজীবী সওয়াল করেন, ফুটেজ ও ব্যালট পেপার দেখে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মেয়র ভোট গণনা ঠেকাতে পারেন না। কিছু ভোট গণনা করা হলেও এখন তারা পুনঃনির্বাচন চাইছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই দিল্লি হাইকোর্টে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন পুনরায় নির্বাচনের উপর।
শুক্রবার দিল্লি পুরবোর্ডের স্থায়ী কমিটি নির্বাচন নিয়ে উত্তাল হয় পরিস্থিতি। একটি ভোট বাতিলকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের মধ্যে কিল, চড়, ঘুষি, লাথালাথিও চলে। প্রহৃত হন মেয়র শেলী ওবেরয়ও। বিজেপি ও আম আদমি পার্টির কাউন্সিলররা হাউসের মধ্যে লিপ্ত হন সংঘর্ষে।
পুরসভার স্থায়ী কমিটির ৬ সদস্যকে বেছে নেওয়ার নির্বাচনে একটি ভোট অবৈধ ঘোষণার পরই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দু-দলের সদস্যরা। একটি ভোট অবৈধ ঘোষণা করে মেয়রের পদক্ষেপ নিতেই ভোট গণনায় বাধা দেয় বিজেপি। মেয়র অবশ্য জোর দিয়ে বলেন, অবৈধ ভোট ছাড়াই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
বিজেপি কাউন্সিলরের অভিযোগ, ভোটটি যদি অবৈধ হয়, তবে আপ প্রার্থী জয়ী হবেন। তাই বিজেপি নেমে পড়ে সংঘর্ষে। এক বিজেপি কাউন্সিলরের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, মেয়র নির্বাচন কমিশনের দ্বারা নির্ধারিত গণনার নিয়ম উপেক্ষা করেছেন। এরপর মেয়র আবার পুনরায় নির্বাচনের ঘোষণা করেন। তা নিয়ে আপত্তি জানায় বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে জল গড়ায় দিল্লি হাইকোর্ট পর্যন্ত। সেখানেই মেয়রের পুনর্নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ ঘোষণা করে আদালত।












Click it and Unblock the Notifications