অস্বস্তি আপ! আর্থিক দুর্নীতি মামলায় দিল্লি হাইকোর্টে খারিজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের আবেদন

অস্বস্তি আপ! আর্থিক দুর্নীতি মামলায় দিল্লি হাইকোর্টে খারিজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের আবেদন

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল। দিল্লি হাইকোর্টে সত্যেন্দ্র জৈন তাঁর বিরুদ্ধে আনা আর্থ্ক দুর্নীতির মামলা অন্য আদালতে স্থানান্তরিত করতে নিম্ন আদালতের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

দিল্লি হাইকোর্টের বক্তব্য

দিল্লি হাইকোর্টের বক্তব্য

দিল্লি হাইকোর্টের তরফে বিচারপতি যোগেশ বলেন, মামলাটি স্থানান্তর করা সময় প্রধান জেলা ও দায়রা বিচারক বিষয়টি যথাযথ বিবেচনা করেছিলেন। সম্পূর্ণ মামলাটি ইডি তদন্ত করছে। বিষয়টিতে কোনও অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এখানে কোনও বিচারপতির সততার প্রশ্ন উঠছে না। এখানে একপক্ষের অশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে।

সত্যেন্দ্র জৈনের আবেদন

সত্যেন্দ্র জৈনের আবেদন

প্রসঙ্গত, দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন গত মাসে প্রধান জেলা ও দায়রা জজ বিনয় কুমার গুপ্তের আদেশকে চ্যালঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধান জেলা ও দায়রা জজ বিনয় কুমার গুপ্ত সত্যেন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে আনা আর্থিক দুর্নীতির মামলাটি বিশেষ বিচারক গীতাঞ্জলি গোয়েলের কাছ থেকে বিশেষ বিচারক বিকাশ ধুলের কাছে স্থানান্তরিত করেছিলেন। বিচারক বিকাশ ধুলে তাঁর জামিনের আবেদন শুনানি করেছিলেন।

আপ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অধীনে ২০১৭ সালে দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। অর্থ পাচার মামলায় ইডি সত্যেন্দ্র জৈন সহ আরও দুই জনকে গ্রেফতার করে। সত্যেন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে চারটি সংস্থার মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার

অভিযোগ অস্বীকার

দিল্লির ক্ষমতাসীন দল আপ সত্যেন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গুজরাত নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি আপ সরকারকে চাপে রাখতে চাইছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই অরবিন্দ কেজরিওয়াল আশঙ্কা করেছিলেন, পঞ্জাব ভোটের আগে সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করা হতে পারে। কিন্তু তাঁকে পঞ্জাব ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর গ্রেফতার করা হয়।

কেজরিওয়ালের দাবি

কেজরিওয়ালের দাবি

আপের তরফে বার বার বিজেপির বিরুদ্ধে দিল্লি সরকার পতনের চেষ্টার অভিযোগ করা হচ্ছে। দিল্লিতে নয়া আফগারি নীতি বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগে মনীশ সিসোডিয়ার বাড়িতে সিবিআই ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি চালায়। এমনকী মনীশ সিসোডিয়ার ব্যাঙ্কের লকারেও তল্লাশি চালানো হয়। অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেন, সিবিআইয়ের তল্লাশিতে অবৈধ কিছু পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছিলেন, দিল্লিতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রভূত উন্নতি হয়েছে। সেই কারণেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জেলে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি চালানো হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+