দিল্লি হাইকোর্টের রায়, বড় জয় জেএনইউ-এর ছাত্রছাত্রীদের
ফি বৃদ্ধি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে হওয়া মামলায় প্রাথমিকভাবে জয়ী জেএনইউ-এর ছাত্রছাত্রীরা
ফি বৃদ্ধি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে হওয়া মামলায় প্রাথমিকভাবে জয়ী জেএনইউ-এর ছাত্রছাত্রীরা। আদালত আরও জানিয়েছে, পরবর্তী সেমেস্টারের জন্য পুরনো হস্টেল ম্যানুয়ালের ভিত্তিতেই একসপ্তাহের মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের আবেদন করতে হবে। তবে দিল্লি হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের বিরুদ্ধে জেএনইউ কর্তৃপক্ষ উর্ধ্বতন বেঞ্চে আবেদন করতে কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি। ছাত্র সংসদ এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে।

বর্ধিত হস্টেল ফি প্রত্যাহারের দাবিতে মামলা
প্রসঙ্গত জেএনইউতে বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে মামলা করেছিলেন জেএনইউ-এক ছাত্রছাত্রীরা। বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনও চালিয়েছেন ঐশী ঘোষ-সহ অন্যরা। প্রসঙ্গত গত ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছিল, বর্দিত হারে হস্টেল ফি দিতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। না হলে ছাত্রছাত্রীদের নতুন সেমেস্টারে রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হবে না।

সরকারের ব্যাখ্যা
জেএনইউ-এর তরফে আদালতে সওয়াল করেন অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল পিঙ্কু আনন্দ। তিনি বলেন, ইউজিসির আদেশেই এই ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের বেতনের খরচ বহন করতেই এই ব্যবস্থা বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ৮৫০০ পড়ুয়ার মধ্যে ৮২ শতাংশ পড়ুয়া বর্ধিত ফি দিয়ে দিয়েছিলেন।

দিল্লি হাইকোর্টের রায়
দিল্লি হাইকোর্ট তাদের রায়ে জানিয়েছে, বর্ধিত হস্টেল ফি না দিয়েই ছাত্রছাত্রীরা নতুন সেমেস্টারের জন্য রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবেন। জেএনইউ কর্তৃপক্ষকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের ভূমিকার সমালোচনা
ফি বৃদ্ধি নিয়ে কার্যত সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজীব সাকদার বলেছেন, সরকার শিক্ষা থেকে পালিয়ে যেতে পারে না। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির খরচ সরকারকেই বহন করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতনের খরচ ছাত্রছাত্রীদের ওপর চাপানো যায় না।

পরবর্তী শুনানি ২৮ ফেব্রুয়ারি
আদালত জানিয়েছে এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি।












Click it and Unblock the Notifications