নাবালক ধর্ষককে মুক্তিই দিল সুপ্রিম কোর্ট
নয়াদিল্লি, ২১ ডিসেম্বর : দেশ জোড়া বিতর্কের মাঝেই রবিবার ছাড়া পেয়ে গিয়েছে দিল্লি ধর্ষণ কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত অপরাধীদের মধ্যে সবচেয়ে কনিষ্ঠ জন। এদিন সেই হতাশাকে আরও বাড়িয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, নাবালক ধর্ষেকর মুক্তির বিরুদ্ধে করা আবেদন মামলার প্রতিটি বক্তব্যের সঙ্গে আদালত সহমত পোষণ করে। তবে আইনে এর কোনও বিধান নেই।
ফলে একরকম বলা যায়, এক্ষেত্রে কড়া আইন না থাকার জন্যই নাবালক ধর্ষকের মুক্তি আটকাতে কোনও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলার গুরুত্ব কোনও অংশে কম নয়। এক্ষেত্রে আবেদনকারীদের মানসিক অবস্থার জন্য সবরকমভাবে সহমত সর্বোচ্চ আদালত। তবে আইনেই যেখানে সংস্থান নেই, সেখানে এর ঊর্ধ্বে উঠে কোনও রায় দেওয়া আদালতের পক্ষে সম্ভব নয়।

অপরাধ যেখানে ঘৃণ্যতম ও মামলাটিকে ব্যতিক্রমী আখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেখানে নাবালকের সাবালক কৃতকর্মের জন্য আরও কড়া শাস্তি প্রয়োজন ছিল বলেই মত আমজনতার। তবে জুভেনাইল আইনের ফাঁক গলে এই মুক্তি বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
আপাতত কোনও এক অজানা স্থানে সরানো হয়েছে নাবালক অপরাধীকে। সে কোথায় থাকবে তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি আদালত। এমনকী আগামী দুই বছরের জন্য তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে কিনা সেবিষয়েও কোনও নির্দেশ দেয়নি আদালত।
দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়ালের করা শনিবার গভীর রাতের মামলার শুনানি এদিন সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হবে বলে জানানো হয়েছিল। এই নাবালক অপরাধীকে যেন কিছুতেই ছাড়া না হয়, তাহলে সমাজের ক্ষতি হতে পারে। এই দাবি জানিয়ে মামলা করা হয়েছিল। তবে আইনের ঊর্ধ্বে উঠে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সর্বোচ্চ আদালত। তাই মাত্র তিন বছরের সাজা কাটিয়েই ছাড়া পেয়ে গেল নাবালক ধর্ষক।












Click it and Unblock the Notifications