ওমিক্রনের সামনে কারা সব থেকে ঝুঁকিতে রয়েছেন, কী বলছেন চিকিৎসকরা
সারা দেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওমিক্রন (Omicron) ভ্যারিয়েন্টের করোনা ভাইরাস (Coronavirus)। কেউ কেউ বলছেন, ইতিমধ্যেই তা সুনামির আকার নিয়েছে। কমদিনে রোগ মুক্তি হলেও, ওমিক্রন শরীরকে খুব বেশি দুর্বল করে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি
সারা দেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওমিক্রন (Omicron) ভ্যারিয়েন্টের করোনা ভাইরাস (Coronavirus)। কেউ কেউ বলছেন, ইতিমধ্যেই তা সুনামির আকার নিয়েছে। কমদিনে রোগ মুক্তি হলেও, ওমিক্রন শরীরকে খুব বেশি দুর্বল করে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের চিকিৎসকরা (Doctors) বলছেন, শিশু (Child), যাদের বয়স ২ বছরের নিচে তারা এই মুহূর্তে ওমিক্রনের সামনে সব থেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ (Risk)।

শিশুদের নিয়ে শিশু চিকিৎসকরা
কোন বয়সের শিশুরা ওমিক্রনের সামনে কী পরিস্থিতিতে রয়েছে, তা নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, যেসব শিশুর বয়স ২ বছরের কম তাঁরা ওমিক্রনের সামনে সব থেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে যেসব শিশুর বয়স ১১-১২ বছরের মধ্যে তাদের মধ্যে বেশি উপসর্গ দেখা গেলেও, তাদের ক্ষতির সম্ভাবনা কম। এছাড়াও ডেল্টার তুলনায় ওমিক্রন শ্বাসযন্ত্রের ওপরের অংশে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। সেখানেই বেশি উপসর্গ দেখা যায়।

ওমিক্রনকে হাল্কা ভাবে নেওয়া উচিত নয়
এদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন ওমিক্রনকে কোনওভাবেই হাল্কা করে ধরা উচিত নয়। কেননা আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাঁদের মধ্যে থেকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। ওমিক্রনের ক্ষতির ক্ষমতা নেই এটা ধরে নেওয়াটা ভুল। এই পরিস্থিতিতে যদি কারও ডায়াবিটিস, ব্রঙ্কাইটিস কিংবা হাঁপানি থাকে, তাহলে সেই সব কোমর্বিডিটিযুক্ত রোগীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যেসব রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, সামান্য কোনও সংক্রমণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাদের খুবই সতর্ক থাকা উচিত। কেননা কোনও একজন ব্যক্তি নিজেও জানেন না, তাঁর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা।

আতঙ্কিত হবেন না
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, আতঙ্কিত হবে না। সঙ্গে বিষয়টিকে হাল্কা করে নেওয়াও যাবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত এই মহামারী চলে যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করে যেতে হবে বলে মনে করছএন চিকিৎসকরা। তাঁরা আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে কোনও কোনও করোনা আক্রান্তের ডেল্টার মতো স্বাদ-গন্ধ চলে যাওয়ার কথাও বলছেন। সেই পরিস্থিতিতে দেখতে হবে, ঠিক কী হচ্ছে। এক্ষেত্রে কে ওমিক্রন আর কে ডেল্টায় আক্রান্ত তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছেন না। আক্রান্তদের মধ্যে সব ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

ভারতের করোনা পরিস্থিতি
এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী সারা দেশে ১,৫৯,৬৩২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩২৭ জনের। রোগ মুক্তি হয়েছে ৪০, ৮৬৩ জনের। সারা দেশে সুস্থতার হার ৯৭.৩০ শতাংশ। সারা দেশে রোগমুক্তি হয়েছে ৩,৪৪, ৫৩, ৬০৩ জনের।












Click it and Unblock the Notifications