Anubrata Mondal: সায়গলের আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! অনুব্রত মণ্ডলের আসানসোল জেলে শেষ দিন?
দুদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টের ধাক্কা খেয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে নিয়ে মামলা রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে ফিরিয়ে ছিল দিল্লি হাইকোর্ট। আর এদিন রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে রায় সংরক্ষিত রেখেছে। প্রসঙ্গত ইডি অন
দুদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টের ধাক্কা খেয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে নিয়ে মামলা রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে ফিরিয়ে ছিল দিল্লি হাইকোর্ট। আর এদিন রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে রায় সংরক্ষিত রেখেছে। প্রসঙ্গত ইডি অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। তাই নিয়ে আদালতে যুক্তি, পাল্টা যুক্তি চলে। সোমবার ১৯ জানুয়ারি এব্যাপারে আদালত রায় দিতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

অনুব্রতকে নিয়ে আদেশ জারি করতে পারে আদালত
দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পরে অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যেতে মরিয়া কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করার জন্য দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছিল ইডি। পরে সেই মামলার শুনানি চলে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে। এদিন রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে মামলায় রায় সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ১১ অগাস্ট গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পরে সেই মামলায় যুক্ত হয় ইডিও। তবে অনুব্রত মণ্ডলকে এখনও গেফাজতে নিতে পারেনি ইডি।

সায়গল হোসেনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতার হওয়ার আগে তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁকে দিল্লিতেও নিয়ে গিয়েছে। গত ২ ডিসেম্বর অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের ১.৫৮ কোটি টাকার ৩২ টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। তবে তার আগের দিন অর্থাৎ ১ ডিসেম্বর সায়গল হোসেনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকার মেয়াদ দু-সপ্তাহ বাড়ায় আদালত।

প্রোটেকশন মানির নামে বিপুর অর্থ
গত অগাস্টে সিবিআই অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গরু পাচার মামলায় অর্থের যোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আদালতের সিবিআই অভিযোদ করেছিল প্রোটেকশন মানির নামে প্রচুর অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থ গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের কাছের লোকেদের কাছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে অনুব্রত মণ্ডলের চাটার্ড অ্যাকাউন্টট্যান্ট এবং তাঁর মেয়ের ভূমিকার তদন্ত করতে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

২০২০-তে মামলা করে তদন্ত শুরু
এটা উল্লেখ করা যেতে পারে ২০২০ সালে গরুপাচার মামলায় তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই সময়ের পর থেকে এনামূলল হক এবং প্রাক্তন বিএসএফ কর্তা সতীশ কুমারকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সিবিআই। আর এই বছরে প্রথমে সায়গল হোসেন এবং পরে অনুব্রত মণ্ডলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সিবিআই। এখন একমাত্র অনুব্রত মণ্ডলকে বাদ দিয়ে বাকি সবাই রয়েছেন তিহার জেলে। সোমবার জানা যেতে পারে এক্ষেত্রে অনুব্রত মণ্ডলের তিহার যাত্রা আদৌ হচ্ছে কিনা?












Click it and Unblock the Notifications