এনআইএ-কে ভর্ৎসনা আদালতের, প্রমাণের অভাবে জঙ্গিদের আর্থিক মদতের অভিযোগ থেকে মুক্ত চার

এনআইএ-কে ভর্ৎসনা আদালতের, প্রমাণের অভাবে জঙ্গিদের আর্থিক মদতের অভিযোগ থেকে মুক্ত চার

প্রমাণের অভাবে জঙ্গি তহবিলে সাহায্য মামলায় চার অভিযুক্তকে মুক্তি দিল দিল্লির একটি আদালত। ঘটনায় এনআইএকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন অতিরিক্ত দায়রা বিচারক পারভিন সিং। তিনি বলেন, যে অপরাধ করেনি, সেই অপরাধের শাস্তি পেতে হচ্ছে অভিযুক্তদের।
এনআইএ-এর অন্যতম অভিযুক্ত একে জৈনের বিরুদ্ধে বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল এনআইএ।

এনআইএ-কে ভর্ৎসনা আদালতের, প্রমাণের অভাবে জঙ্গিদের আর্থিক মদতের অভিযোগ থেকে মুক্ত চার

সেই আগ্নেয়াস্ত্রের কোনও বৈধ কাগজ জৈন তদন্তকারী সংস্থাকে দেখাতে পারেনি। এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ নিয়ে আসে এনআইএ। এই প্রসঙ্গে বিচারক পারভিন সিং বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় বা সেখানে আর্থিক সাহায্য করার কোনও প্রমাণ নেই। আদালত জানিয়েছে, হাওয়ালা লেনদেনের অর্থসংগ্রহ করে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে মদত দিয়েছে, এমন অভিযোগ করা হলেও তার কোনও প্রমাণ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাওয়া যায়নি।

আদালত প্রশ্ন করে, আদেশ কুমার জৈনের বিরুদ্ধে এইএপিএ-এর অধীনে কেন এত গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এনআইএ জানায়, একে জৈনের বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই আগ্নেয়াস্ত্রের কোনও বৈধ কাগজ অভিযুক্তের কাছে ছিল না।
এই মন্তব্যের পরেই আদালত জানায়, যে ব্যক্তি কোনও অপরাধ করেননি, তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে আদালতে।

তাঁর বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গুরুতর অভিযোগ নিয়ে আসা হয়েছে। কঠোর চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আদালত জানায়, জৈনের বাড়ি থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সেই অপরাধের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা যেত। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিটে আরও যে সব অভিযোগ নিয়ে আসা হয়েছে, তার কোনও প্রমাণ নেই।

বিচারক বলেন, কোনও জঙ্গি হামলায় যুক্ত বা জঙ্গি তহবিলে মদত দেওয়ার অভিযোগ এনআইএ জৈনের বিরুদ্ধে নিয়ে এসেছে। কিন্তু এই অভিযোগের কোনও প্রমাণ এনআইএ দিতে পারেনি। কীসের ভিত্তিতে এনআইএ এই অভিযোগ নিয়ে এসেছে বলেও বিচারক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এনআইএ-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালের ২৮ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশ থেকে শেখ আবদুল নইমকে গ্রেফতার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, পাক ভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তইবার হয়ে কাজ করছিলেন। তিনি পাক জঙ্গিগোষ্ঠীর জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিলেন। তদন্তে এনআইএ জানতে পারে, অভিযুক্ত বেদার বখত, তৌসিফ আহমেদ মালিক, মাফুজ আলম, হাবির উর রহমান ও আমজাদ নইমকে আশ্রয় দিয়েছিলেন আবদুল নইম। তাঁদের মোবাইল সরবরাহ করেছিলেন।

অর্থের জোগান দিতেন বলে এনআইএ আবদুল নইমের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আসেন। এদিন আদালত নইম, বখত, মালিক, হাবির-উর-রহমান, জাভেদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ সংগ্রহের অভিযোগের মান্যতা দিয়েছে। তবে সাদাম, গার্গ, জৈন ও গুল নাওয়াজকে ইউএপিএ-এর অধীনে থাকা সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+