পাঞ্জাব–হরিয়ানাতে পোড়ানো হচ্ছে খড়, যার প্রভাব পড়ছে দিল্লির বাতাসে
পাঞ্জাব–হরিয়ানাতে পোড়ানো হচ্ছে খড়, যার প্রভাব পড়ছে দিল্লির বাতাসে
মঙ্গলবার দিল্লি এবং তার চারপাশের এলাকার বাতাসের গুণমান ফের খারাপ হল। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী রাজ্য পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ক্রমাগত খড় পোড়ানোর কারণেই বায়ু দূষণের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে। লোধি রোডে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ২.৫ মাইক্রোমিটারের ব্যাসের সঙ্গে পিএম ২.৫ কণাগুলি বাতাসে মিশে ছিল।

সোমবারই দিল্লির দূষণের মাত্রা অত্যন্ত বেড়ে যায়। দিল্লি–এনসিআরে বাতাসের মান একসপ্তাহের মধ্যে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। রাজধানী এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে প্রচুর খড় পোড়ানো হয়েছে, যার ফলে বায়ু দূষণের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে। সোমবার দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ২৪৯ এবং রবিবার ছিল ২৫৮। পাঞ্জাব ও হরিয়ানাতে খন–ফসল পোড়ানোর ফলেই দিল্লি–এনসিআরের পশ্চিম ও উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে ধোঁয়া উড়ে আসছে।
জানা গেছে, প্রতিবার ওই অঞ্চলগুলিতে ফসল কাটার পরে পড়ে থাকা খড় সাফ করার উদ্দেশ্যে সেগুলিকে পোড়ানো হয়। সরকার এই ঘটনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, এখনও উত্তর ভারতের বহু জায়গায় এইভাবে খড় পোড়ানো চলছে। সফরের (আর্থ সায়েন্স এয়ার কোয়ালিটি ফোরকাস্ট অ্যান্ড রিসার্চ সার্ভিস) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, 'দিল্লির বায়ুর গুণগত মান ফের নিম্নগামী। উত্তর–পশ্চিম থেকে আসা ধোঁয়ার কারণেই বায়ুর মান এতটা খারাপ হয়ে গিয়েছে। ভারতের উত্তরাঞ্চলে খড় পোড়ানোর পরিমাণ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বেশিরভাগ খড় উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে পোড়ানো হয় বলে জানা গিয়েছে। পাঞ্জাব সহ আশপাশের রাজ্যে এই খড় পোড়ানোর কারণেই দিল্লিতে বায়ু দূষণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। পাঞ্জাব–হরিয়ানাতে খড় পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও, কৃষকরা আর্থিক দিক দিয়ে দুর্বল বলে তাঁরা অনবরত এই কাজ করে চলেছেন। দিল্লি সরকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসে প্রতিবেশী রাজ্যগুলিকে খড় পোড়ানো নিয়ে ভৎসর্না করে থাকে। আপ নেতা রাঘব চাদ্ধা খড় পোড়ানোকে কেন্দ্র করে পাঞ্জাব–হরিয়ানার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি জানান, প্রতিবেশীর রাজ্যের গাফিলতির জন্য দিল্লীবাসী ভুক্তভোগী হচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications