'রাম রাজ্য' থেকে সরকার চালানোর অনুপ্রেরণা পান, রামলীলার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে স্বীকারোক্তি কেজরিওয়ালের
Kejriwal On Ram Rajya: আমন্ত্রণ পেলেও কাল অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
তবে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান হয়ে গেলে পরে যে তিনি সপরিবারে অযোধ্যা যাবেন সে কথা আগেই জানিয়েছেন কেজরি। এবার রাম-ভক্তি নিয়ে কেজরির সোজাসুজি স্বীকারোক্তির সাক্ষী হলেন দিল্লিবাসী।

দিল্লি সরকারের শিল্প, সংস্কৃতি ও ভাষা দফতরের তরফে আয়োজন করা হয়েছে রামলীলা অনুষ্ঠানের। সেখানেই আজ হাজির ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল থেকে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। শেষ হবে যেদিন, সেদিনই আবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ইন্ডিয়া জোটের অস্বস্তি না বাড়াতেই কেজরি অযোধ্যায় কালকের অনুষ্ঠানে যাবেন না।
তবে সে বিষয়ে কেজরিওয়াল এদিন কিছু বলেননি। তবে শ্রী রামচন্দ্রের রাম রাজ্য থেকে তিনি যে অনুপ্রাণিত, সে কথা প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন। কেজরিওয়াল বলেন, কাল অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান রয়েছে। অনেকের ইচ্ছা থাকলেও সেখানে যেতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি সরকার যে এই ইভেন্ট আয়োজন করেছে তা দেখে ভালো লাগছে।
এরপরই কেজরি বলেন, শ্রী রামচন্দ্রের রাজ্যপাট রাম রাজ্য বলে পরিচিত। আমরা সকলেই রাম রাজ্য থেকে অনুপ্রেরণা পাই। সেই অনুপ্রেরণাকে পাথেয় করেই আমরা সরকার চালাই। শ্রী রামচন্দ্র পিতা-মাতার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন, সব সময় সত্য কথা বলতেন, শ্রী রামচন্দ্রের এই গুণগুলি সকলের অনুসরণ করা উচিত বলেও মন্তব্য কেজরির।
আগেই কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন সরকার দিল্লির সমস্ত সরকারি দফতর, প্রতিষ্ঠানে অর্ধ-দিবস ছুটি ঘোষণা করেছিল। যাতে সকলে কাল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এবার দিল্লি সরকারের শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হলো, কাল সরকারি বা সরকার-পোষিত দিল্লির সব স্কুল যেগুলি সকালে চালু হয় সেগুলি বন্ধ থাকবে। বিকেলের স্কুলগুলি বেলা আড়াইটের আগে খুলবে না।












Click it and Unblock the Notifications