সমস্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর হবে Genome Sequencing পরীক্ষা! বুস্টার ডোজ নিয়ে কেন্দ্রকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
দেশে ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। ভয়ঙ্কর গতিতে কার্যত ছড়াচ্ছে করোনার নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট। যা নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। বিশেষ করে দিল্লি, মহারাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ওমিক্রন উদ্বেগের জায়গায় চলে যাচ্ছে। সেখানে
দেশে ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। ভয়ঙ্কর গতিতে কার্যত ছড়াচ্ছে করোনার নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট। যা নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। বিশেষ করে দিল্লি, মহারাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ওমিক্রন উদ্বেগের জায়গায় চলে যাচ্ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে বড়সড় (Delhi Omicron) পদক্ষেপ দিল্লি সরকারের।

ভয়ঙ্কর গতিতে ওমিক্রন সে রাজ্যে বাড়তে থাকায় চিন্তার ভাঁজ কপালে পড়েছে কেজরিওয়াল সরকারের। আর সেখানে দাঁড়িয়ে এহেন পদক্ষেপ।
নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত সমস্ত রোগীকে কেজরিওয়াল সরকার Genome Sequencing করবে। আজ সোমবার এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সে রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে আবার। আর সেদিকে তাকিয়েই সমস্ত রোগীর নমুনা Genome Sequencing-এর জন্যে পাঠানো হবে। এমনটাই জানান মুখমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একই সঙ্গে সরকারের তরফে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে যেভাবে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে উদ্বিগ্ন কেজরিওয়াল। এই বিষয়ে দ্রুত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পদক্ষেপের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমেও দিল্লির মানুষকে সাবধানে থাকার বার্তা দেন কেজরিওয়াল। বলেন, সুস্থ থাকতে বলে অবশ্যই মাস্ক পড়তে হবে। ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দিল্লিতে ৯৯ শতাংশ দিল্লিবাসীকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। আর ৭০ শতাংশ লোককে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছে বলে দাবি তাঁর। দ্রুত ভ্যাকসিনেশন নেওয়ার জন্যে সাধারন মানুষের কাছে আবেদন রাখেন তিনি।
অন্যদিকে দিল্লিতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। আজ সোমবার রাজধানীতে নতুন করে আরও ছয়জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ফলে দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২৮। সে রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থ হচ্ছেন বহু মানুষ। কারন উপসর্গ খুবই মৃদু।
স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১২ জন ওমিক্রন আক্রান্ত ঠিক হয়েছেন। তবে ১৬ জনের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে প্রশাসনের তরফে সবরকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। অন্যদিকে গোটা দেশে ১৬০ জনেরও বেশি ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।
অন্যদিকে আজ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওমিক্রন খুব বেশি ছড়াচ্ছে। সাবধান থাকতে হবে। যতটা সম্ভব মেলামেশা কম করতে হবে। এমনকি বাড়ির লোকের সঙ্গেও মনে মনে মেলামেশার বার্তা দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।












Click it and Unblock the Notifications