Delhi Assembly Polls 2025: ভোটের লাইনে রাষ্ট্রপতি, নির্বাচনের দিনেও আপ সরকারকে কটাক্ষ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর
বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে দিল্লি বিধানসভার ভোট। ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভা ভোট ঘিরে রাজধানী শহরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। দিল্লিতে তারকা ভোটারের সংখ্যা কম নয়। সকাল থেকে দিল্লির বুথে হাজির হলেন রাজধানী শহরের তারকা ভোটাররা। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভোটের লাইনে দেখা গেল রাষ্ট্রপতি দৌপ্রদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় থেকে সোনিয়া গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের।
সকাল বেলায় স্ত্রী-কে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে এলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তাঁদের চারা গাছ উপহার দেওয়া হয়, একজন ভোটার উপরাষ্ট্রপতিতে তাঁর একটি ছবিও উপহার দেন। ভোট দানের পর মাননীয় উপরাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন হল গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি এবং অক্সিজেন। এটি ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় অধিকার এবং মৌলিক অধিকার। এর থেকে বড় অধিকার আর নেই।

এর পাশাপাশি ভোট দিলেন কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধী। তিনি নির্মাণ ভবনে ভোট দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলেরই সাংসদ তথা তাঁর কন্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কংগ্রেসের প্রার্থী সন্দীপ দীক্ষিতও তাঁর ছিলেন। মায়ের সঙ্গে ভোট দেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।
ভোট দানের পর প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমি সমস্ত দিল্লিবাসীর কাছে অনুরোধ করব ভোটদানে অংশ নেওয়ার জন্য। সংবিধান আমাদের ভোট দানের অধিকার দিয়েছে। আমাদের উচিৎ সেই অধিকারকে সর্বোত্তম ভাবে প্রয়োগ করা উচিৎ। ভোট দানের কেজরিওয়ালের সরকারকে নিশানা করতেও ভুল করেননি কংগ্রেস সাংসদ।
তিনি বলেন, আমি জানি দিল্লির মানুষ কতটা বিরক্ত। যেখানেই গিয়েছি সেখানেই মানুষ বলেছেন জল নেই, রাস্তা আলোর ব্যবস্থা ভালো নয়, পরিকাঠামো নেই। আমরা যদি সেই সমস্যা থেকে সমাধান করতে চাই তাহলে সবাই ভোটে অংশ গ্রহণ করুন। প্রিয়াঙ্কার গান্ধীর স্বামী রবার্ট বঢরাও ভোট দেন।
দিল্লির রাজনীতির কথা বললেই গত ১ দশকের বেশি সময় ধরে যে নামটা প্রথমেই আসেন তিনি অরবিন্দ কেজরিওয়াল। গণ আন্দোলনের মুখ থেকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে ভোট দিলেন। মা-বাবাকেও সঙ্গে নিয়ে আসেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ভোট দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও।












Click it and Unblock the Notifications