Delhi Polls: দিল্লিতে অনুপ্রবেশ নিয়ে বিস্ফোরক রিপোর্ট জেএনইউয়ের, ভোটের আগে তীব্র অস্বস্তিতে আপ
Delhi Assembly Election 2025: ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে অনুপ্রবেশ (Infiltration) ইস্যুতে শোরগোল দিল্লিতে। আপের শাসনকালে ব্যাপক অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে প্রকাশ্যে রিপোর্ট। নির্বাচনের আগে বেজায় অস্বস্তিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আম আদমি পার্টি (AAP)। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) অধ্যাপকদের তৈরি ওই রিপোর্টে বিতর্ক রাজধানীতে।
দিল্লিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও তার আর্থসামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রভাব শীর্ষক ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, দিল্লিতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীর এসে ঘাঁটি করায় রাতারাতি বিভিন্ন বস্তি ও উদ্বাস্তু কলোনির সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। যার জেরে দিল্লির পরিকাঠামো, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও শিক্ষাব্যবস্থায় বোঝা বেড়ে গিয়েছে। আর এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে শাসকদল আম আদমি পার্টি।

জেএনইউয়ের এক আধিকারিক জানান, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চের দৈনন্দিন পঠনপাঠনের অঙ্গ হিসেবে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। গত ২০২৪ সালের অক্টোবরে এসংক্রান্ত গবেষণা শুরু করা হয়। পুরোপুরি গবেষণা শেষ করতে আরও ৯ মাস সময় লাগবে বলে জানান ওই আধিকারিক। যদিও রিপোর্ট প্রকাশের সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সংগঠন JNUTA। মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের আগেও এরকমই একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল বলে দাবি তাঁদের।
সংগঠনের সভাপতি মৌসুমী বসু বলেন, "এই রিপোর্ট সত্যিই আশ্চর্যজনক। ভোটের ঠিক আগে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে এই উৎকণ্ঠা দেখে অবাক লাগছে। রিপোর্ট প্রকাশের সময়কাল নিয়েই প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে। মহারাষ্ট্রে ভোটের সময়ও টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। এভাবে ন্যারেটিভ তৈরি করা সত্যিই সমস্যার। সরকারের এই কৌশলে শিক্ষার গবেষণায় কোনও লাভ হয় না।"
জেএনইউয়ের বাকি সমস্ত রিপোর্টও একইভাবে সরকার গ্রাহ্য করে কি না সেই প্রশ্নও উসকে দেন মৌসুমী বসু। গবেষণা টিমে রয়েছেন সেন্টার ফর রাশিয়া ও সেন্ট্রাল এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগের দুই অনুসন্ধানকারী। ওই গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে দিল্লির জনবিন্যাসও পাল্টে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারীরা এসে ঘাঁটে গেড়ছে দিল্লিতে।
রাজধানীর সীলামপুর, জামিয়া নগর, জাকির নগর, সুলতানপুরী, মুস্তফাবাদ, জাফরাবাদ, দ্বারকা, গোবিন্দপুরীর মতো ঘিঞ্জি এলাকায় বসতি গড়ে তুলেছে এই অনুপ্রবেশকারীরা। রিপোর্টে আরও দাবি, স্থানীয়দের সম্পত্তি ও ভিটেমাটির উপর ভাগ বসাচ্ছেন তারা। এমনকি কম পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজে যোগ দিচ্ছেন তারা। যার জেরে সার্বিকভাবে কাজের মজুরিও কমে গিয়েছে ওই এলাকায়।












Click it and Unblock the Notifications