Investigative Report: মাদক চক্রে কংগ্রেস যোগ? বিজেপির অভিযোগের পর চরমে রাজনৈতিক তরজা
Drug Bust Political Row: দেশের চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আবহেই দিল্লিতে (Delhi) সবচয়ে বড় মাদক চক্রের (Drug Racket) পর্দাফাঁস। ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রাজধানীর বুকে। ঘটনার পর থেকেই বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ। মাদক পাচার চক্রে কংগ্রেস নেতার (Congress Leader) জড়িত থাকার অভিযোগ বিজেপির (BJP)। যদিও অভিযোগ উড়িয়েছে হাত শিবির।
দক্ষিণ দিল্লিতে প্রায় ৫৬০ কেজি কোকেন ও ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে তদন্তকারীরা। নেপথ্য়ে বড়সড় আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্র (International Drug Racket Bust) জড়িত থাকার অনুমান। চক্রের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে তুষার গোয়ল (Tushar Goyal) নামে এক ব্য়ক্তিকে। বিজেপির দাবি, অভিযুক্ত দিল্লি প্রদেশ যুব কংগ্রেসের আরটিআই সেলের চেয়ারম্যান।

বিজেপির অভিযোগের পরই তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। মাদক পাচার চক্রে কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে জনসমক্ষে হাত শিবিরকে তুলোধনা নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), অমিত শাহ (Amit Shah)-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। মাদক পাচারের টাকা সরাসরি ভোটে জিততে কংগ্রেস ব্যবহার করেছে বলে তোপ দেগেছেন মোদী। হরিয়ানার ভোটে (Haryana Elections) বিনিয়োগ করতে কংগ্রেস ওই টাকা ব্যবহার করেছে বলে নিশানা বিজেপির। নাম না করে হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডাকে (Bhupinder Singh Hooda) কাঠগড়ায় তুলেছে গেরুয়া শিবির।
মাদক পাচার চক্রে জড়িত কংগ্রেস?
গোয়লের ভূমিকা নিয়ে কংগ্রেসকে জবাবদিহি করতে বাধ্য় করেছে বিজেপি। দলে গোয়লের ভূমিকাও তদন্ত করে খতিয়ে দেখার দাবি বিজেপির। ২০২২ সালেই দিল্লির প্রদেশ যুব কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদ দেওয়া হয় তুষার গোয়লকে। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এক ফ্রেমেও দেখা গিয়েছে মাদক পাচার চক্রের ওই অভিযুক্তকে। সেই ছবিই ঘি ঢেলেছে বিতর্কের আগুনে।
ভোটের কাজে মাদক পাচারের টাকা?
চার রাজ্য়ে বিধানসভা ভোটে যখন হারানো মাটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া কংগ্রেস, তখন কার্যত হাটে হাঁড়ি ভাঙার চেষ্টা বিজেপির। হরিয়ানার ভোটে কংগ্রেসর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের টাকা ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে গেরুয়া শিবির। যদি তা প্রমাণিত হয়, কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে সংঘটিত অপরাধের যোগসাজশ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে বিজেপি।

অভিযোগ নিয়ে কংগ্রেসের কী সাফাই?
স্বাভাবিকভাবেই তুষার গোয়লের দলের সঙ্গে যোগের কথা খারিজ করেছে কংগ্রেস। বিজেপির করা অভিযোগকে সস্তার রাজনীতি বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি হাত শিবির।
এদিকে, আন্তর্জাতিক মাদক চক্রে গোয়লের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে যোগ রয়েছে অভিযুক্তের। শুধু তাই নয়, সারা ভারতে মাদক সরবরাহতেও জড়িত বলে দাবি পুলিশের। অভিযুক্তের কংগ্রেস যোগ প্রমাণিত হলে চার রাজ্যে ভোট আবহে বড় ধাক্কা খাবে হাত শিবির।
অভিযুক্তের কংগ্রেস যোগের তত্ত্ব আরও স্পষ্ট করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কংগ্রেস জমানায় পঞ্জাব ও হরিয়ানায় মাদকা উপদ্রবের কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। মাদক চক্র রোধে কংগ্রেসের ভূমিকার কড়া সমালোচনাও করেন শাহ। বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই মাদক চক্র বন্ধে কড়া ভূমিকা নিয়েছে বলেও দাবি শাহের। দিল্লিতে মাদক চক্রের পর্দাফাঁস হতেই শাহের এই মন্তব্যে কার্যত সাঁড়াশি চাপে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications