নিজের জায়গায় অন্য কাউকে ভাড়া করে এনে পড়ানো, বরখাস্ত প্রধান শিক্ষিকা
নিজের জায়গায় অন্য কাউকে ভাড়া করে এনে পড়ানো, বরখাস্ত প্রধান শিক্ষিকা
নিজের জায়গায় অন্য কাউকে দিয়ে পড়ান! ভাবতে পারেন। হ্যাঁ এমনই ঘটনা ঘটল দেরাদুনের পাউরি গাড়ওয়াল জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ঘটনায় বরখাস্ত করা হয় প্রধান শিক্ষিকাকে? ভাবছেন তো এমন কি করেছিলেন তিনি, যার জন্য তাঁকে বরখাস্ত করতে হল?

জানা গিয়েছে, প্রধান শিক্ষিকার নাম দ্রৌপদী মাধওয়াল। তিনি প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকা বেতন পেতেন। যেখানে তাঁর পড়ুয়াদের পড়ানোর কথা, সেটা না করে তিনি অন্য এক মহিলা মাসে ১০ হাজার টাকা দিতেন, তাঁর জায়গায় পড়ুয়াদের পড়ানোর জন্য। এমনই অভিযোগ উঠেছে শিক্ষিকার নামে। এই ধরনের কাজ তিনি গত পাঁচ মাস ধরে করছিলেন। এমনই কাজের জন্য তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
এই ঘটনাটি জানতে পারেন জেলা শিক্ষা বিভাগ। তাঁরা বিষয়টি জানতে পেরে মাধওয়ালের এই কাজের জন্য তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেন। ব্লক শিক্ষা আধিকারিক বুশরা স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা রোজ স্কুলে আসেন না। এবং বিধ্যালয় মাঝে মধ্যেই তাড়াতাড়ি বন্ধ করে দেন।
ব্লক এডুকেশন অফিসার বুশরা জানান, 'বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত মাত্র ১২ জন ছাত্র ছিল। আমরা স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। যেখানে তাঁরা জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষিকা প্রায়শই স্কুলে আসতেন না। এমনকি গ্রামের একজন মহিলাকে তাঁর জায়গায় পড়ানোর জন্য তিনি নিজে নিয়োগ করেছিলেন। তিনি কিন্তু শিক্ষকতার জন্য মাসে ৭০ হাজার টাকা পেতেন। যেখানে তিনি অন্য এক মহিলাকে দিয়ে পড়ানোর জন্য ১০ হাজার টাকা তাঁকে দিচ্ছিলেন। এই কাজটি তিনি পাঁচ মাস ধরে করছিলেন।'
ব্লক শিক্ষা আধিকারিকের এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। আর সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই মুখ্য শিক্ষা আধিকারিক শুক্রবার মাধওয়ালকে বরখাস্ত করেছেন। প্রধান শিক্ষিকার পদ থেকে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। এবং তাকে একেশ্বরের ব্লক শিক্ষা দফতরে তাঁকে বদলি করে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications