দেরাদুনে ভুয়া এনকাউন্টার মামলায় ১৭ পুলিশকর্মীর যাবজ্জীবন

বিশেষ সিবিআই বিচারক জেপিএস মালিক অভিযুক্ত ১৭ জন পুলিশ কর্মীকে অপহরণের ষড়যন্ত্রে সামিল এবং গাজিয়াবাদের বাসিন্দা রণবীর সিংকে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করেন। উল্লেখ্য ২০০৯ সালে ৩ জুলাই চাকরি নিয়ে দেরাদুন গিয়েছিলেন রণবীর।
আদালত, সাতজন পুলিশ-ছয় সাব ইন্সপেক্টর সন্তোষ কুমার জয়সওয়াল, গোপাল দত্ত ভাট,রাজেশ বিস্ঠ, নীরজ কুমার,নীতিন কুমার চৌহান,চন্দর মোহন সিং রাওয়াত এবং অজিত সিংয়ের ক্ষেত্রে মাথা পিছু ৫০,০০০ টাকার জরিমানা ধার্য করেছে। এর পাশাপাশি আরও ১০ জন পুলিশকর্মীর উপর অপহরণ ও খুনের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের দোষে ২০,০০০ টাকার জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। যদিও আদালতের এই রায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রণবীরের পরিবার সদস্যেরা।
আদালতের রায়ে অখুশি রণবীরের পরিবার, মা চাইলেন দোষীদের মৃত্যুদণ্ড
রণবীরের মা জানিয়েছেন, আমি চাই আমার ছেলেকে যে পুলিশকর্মীরা মেরেছে তাদের প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড চাই আমি।
শুক্রবার উত্তরাখণ্ড পুলিশের বক্তব্য খারিজ করে দেয় আদালত। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, রণবীর মোটর সাইকেলে করে ২ জন সঙ্গীর সঙ্গে যাচ্ছিলেন। বাইকে করে যাওয়ার পথে চেক পোস্টে তাদের আটকানো হলে এক পুলিশকর্মীর রিভলভার ছিনিয়ে নেয় রণবীর। সেই সময় উত্তরাখণ্ডে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল এসেছিলেন তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার রাখা হয়েছিল।
এরপর দেরাদুন পুলিশের ১৮ জন কর্মীর বিরুদ্ধে ভুয়ো সংঘর্ষের মামলা দায়ের করে রণবীরের পরিবার৷ প্রথমে তদন্ত শুরু করে সিআইডি৷ পরে তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় সিবিআইয়ের উপর৷ সাতজন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা, ১০জনের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একজনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে বিচারক তাঁর রায়ে জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications