মণিপুর হিংসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৮, আহত ৩০০ এরও বেশি মানুষ
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েছে! এখনও অশান্ত মণিপুর। সরকারের তরফে বারবার শান্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, মণিপুরকে শান্ত করতে সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে সুরক্ষা এজেন্সিগুলি। কিন্তু দফায় দফায় অশান্ত হচ্ছে মণিপুর। গত মাসের তিন তারিখ থেকে লাগাতার অশান্তি সে রাজ্য।
আর তাতে এখনও পর্যন্ত ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই নয়, ৩০০ এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন সংঘর্ষের ঘটনায়। দীর্ঘদিন ধরেই মণিপুরের মেইতি সম্প্রদায় তফসিলি উপজাতি মর্যাদার দাবি জানাচ্ছে। আর এই মর্মে গত তিন মে ১০ জেলাতে একটি র্যালি বার করে।

আর তাতে হামলার ঘটনা ঘটে। আর এরপর থেকেই মণিপুরের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে। একের পর এক জায়গাতে গোষ্ঠী সংঘাতের ঘটনা ঘটে। সেখানকার কুকি জন গোষ্ঠীরা সেই সময় একাধিক ইস্যুতে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। বিশেষ করে সংরক্ষিত বনভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল কুকিদের।
দুই জাতির সংঘাতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। মণিপুরের মোট জনসংখ্যার ৫৩ শতাংশ মেইতি সম্প্রদায়ের। এই সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাদ ইম্ফলে। অন্যদিকে নাগা এবং কুকি সে রাজ্যের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। মূলত পাহাড়ি অঞ্চলে এদের বসবাদ। যদিও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
ইতিমধ্যে মণিপুর বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে কার্ফু তুলে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ১২ ঘন্টার জন্যে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে পূর্ব এবং পশ্চিম ইম্ফল থেকে। এছাড়াও বিষ্ণুপুর অঞ্চলে একাধিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই মণিপুরে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

দফায় দফায় সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুধু তাই নয়, সুরক্ষা এজেন্সিগুলির সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। পাশাপাশি সে রাজ্যের মেইতি এবং কুকি জনজাতিদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। যেভাবেই হোক মণিপুরে শাস্তি ফেরানোর কথাও বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications